fbpx

ফেসবুক মার্কেটিং কি? কেন এবং কিভাবে করব?

facebook marketing bangla

ফেসবুক! ছোট থেকে বড় সবাই আমরা এই নামটার সাথে খুব বেশি পরিচিত। আর পরিচিত কেন বা হবে না, বর্তমানে একটি শিশু/ বাচ্চা জন্মের পরই তার ছবি আপলোড হয়ে যায় ফেসবুকে। ফেসবুক বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম। যার মাধ্যমে আপনি দেশ এবং দেশের বাহিরের নানা ধরনের মানুষের সাথে যেমন পরিচিত হতে পারেন ঠিক তেমনি অনেক অজানা কিছু সম্পর্কে আপনি জানতে পারেন, অজানা জিনিস দেখতে পারেন। ফেসবুক এক সময় শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হলেও সময়ের পরিবর্তনে ফেসবুক এখন সবচেয়ে বড় ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস। এই মার্কেটপ্লেস থেকে যেমন প্রতি মাসে একটা ভাল ইনকাম করা যায় ঠিক তেমনি সঠিক উপায়ে মার্কেটিং করে নিজের পণ্য বা সার্ভিসকে খুব কম সময়ের মধ্যে সবার কাছে পৌঁছে দেয়া যায়।

উপরের বড় করে লেখা শিরোনাম দেখে আপনি হয়ত ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছেন আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় কি। হ্যাঁ, আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় ফেসবুক মার্কেটিং। এই ব্লগটিতে আমি ফেসবুক মার্কেটিং এর এ টু জেট বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরব। আশা করছি সম্পূর্ণ ব্লগটি পড়ার মাধ্যমে আমি বুঝে যাবে ফেসবুক মার্কেটিং কি? কিভাবে করতে হয় এবং কেন আপনার ফেসবুক মার্কেটিং বর্তমান এই সময়ে শিখা আবশ্যক।

যা যা থাকছে এই ফেসবুক মার্কেটিং ব্লগেঃ

  • ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে ধারনা
  • ফেসবুক মার্কেটিং কি?
  • কেন করবেন ফেসবুক মার্কেটিং?
  • কি কি লাগবে ফেসবুক মার্কেটিং করতে?
  • ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং কি?
  • ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং এর সুবিধা ও অসুবিধা
  • পেইড ফেসবুক মার্কেটিং কি?
  • পেইড ফেসবুক মার্কেটিং এর সুবিধা ও অসুবিধা
  • ফেসবুক মার্কেটিং করে ইনকাম করার টিপস
  • নতুনদের জন্য মার্কেটিং নিয়ে কিছু পরামর্শ

ডিজিটাল মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং এর কথা শুরুতে কেন বললাম কারন ফেসবুক মার্কেটিং কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি পার্ট। ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে যদি আপনি ভাল ধারনা রাখেন তা হলে ফেসবুক মার্কেটিং শিখা বা জানা খুব সহজ হয়ে যাবে আপনার জন্য। ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে, যেকোনো ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল টুলস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যেকোনো পণ্যের বা সেবার বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা করাকে বোঝায়। ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে সকল মার্কেটিং করা হয় তার সবগুলোই ‘ডিজিটাল মার্কেটিং’ এর অন্তর্ভুক্ত। ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য সফল করা কিংবা সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে পণ্যের বা সেবার বিজ্ঞাপন পৌঁছানোর বিদ্যায় হচ্ছে ‘ডিজিটাল মার্কেটিং’।

ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এবং শিখতে এম এসবি একাডেমীর অল ইন ওয়ান ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সটি করতে পারেন। অথবা ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে লেখা এম এসবি একাডেমীতে একটি সুন্দর ব্লগ রয়েছে, সেটি পড়ে নিতে পারেন।

ফেসবুক মার্কেটিং কি?

আপনার কোন পণ্য বা সেবা ফেসবুক এর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সবার কাছে পৌঁছে দেয়া হল ফেসবুক মার্কেটিং। এটাকে ফেসবুক মার্কেটিং বলা হয় এই কারনে যে আপনি আপনার পণ্য বা সার্ভিসটি ফেসবুক এর মাধ্যমে সবার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। সেটা হতে পারে একটা ছবির মাধ্যমে, কোন শট ভিডিও মাধ্যমে, অথবা কোন মোশন গ্রাফিক্স এর ভিডিও মাধ্যমে।

কেন করবেন ফেসবুক মার্কেটিং?

বর্তমান বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারি সংখ্যা ৩৪২ কোটি। যার মধ্যে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক ব্যবহার করছে। আজকাল আমাদের দেশে ১০ বছরের ছেলে মেয়ে থেকে শুরু করে যুবক বৃদ্ধ প্রায় সবাই ফেসবুক ব্যবহার করছে। প্রতিদিন মিনিমাম ৩০ মিনিট সময় ফেসবুকে ব্যয় করে না, এমন লোকের সংখ্যা আমাদের দেশে খুব কম আছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনি যদি এই ফেসবুক মার্কেটিং ভাল ভাবে শিখতে পারেন এবং করতে পারেন তা হলে কত সহজে আপনার পণ্যে বা সেবা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।

অর্থাৎ খুব কম সময়ে,কম খরছে অনেক মানুষকে আপনি জানিয়ে দিতে পারবেন আপনার পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে যদি আপনি ফেসবুক মার্কেটিং সঠিক ভাবে করতে পারেন।

কি কি লাগবে ফেসবুক মার্কেটিং করতে?

ফেসবুক মার্কেটিং করতে খুব বেশি কিছু লাগবে না। লাগবে ফেসবুক মার্কেটিং এর সঠিক নিয়ম জানা আর যা লাগবে সেটা হল স্মার্ট এবং সুন্দর একটি ফেসবুক পেজ বা বিজনেস পেজ। আপনি চাইলে আপনার ব্যক্তিগত আইডি দিয়ে মার্কেটিং করতে পারেন কিন্তু বিজনেস পেজ মত এত সুবিধা করতে পারবেন না আর এত মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবেন না। তাই আপনার যে পণ্য বা বিজনেস সেই নাম অনুযায়ী সুন্দর একটি ফেসবুক পেজ ওপেন করতে হবে। এবং পেজটিতে সকল ইনফমেশন সুন্দর ভাবে দিতে হবে যেন মানুষ আপনার সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারে।

অনেকই পেজ ওপেন করে কিন্তু সুন্দর ভাবে সাঁজাতে পারে না। আপনি নিজে চিন্তা করুন আপনার যদি একটি জিনিস বাহির থেকে দেখে ভাল না লাগে তাহলে সেটার ভিতরে কি আছে সেটা দেখার প্রতি কিন্তু আপনার আর আগ্রহ থাকবে না। তাই আপনার বিজনেস পেজটি আপনার বিজনেস সাথে যায় এমন ভাবে সাজাবেন এবং সব তথ্য সঠিক ভাবে দিবেন।

ফেসবুক মার্কেটিং কত প্রকার এবং কি কি?

ফেসবুক মার্কেটিং মূলত আপনি ২ ভাবে করতে পারেন! 

  1. ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং
  2. পেইড ফেসবুক মার্কেটিং

ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং কি?

ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং বলতে বুঝায় যে মার্কেটিং করতে আপনার কোন টাকা বা ডলার খরচ করতে হয় না। অর্গানিক উপায়ে আপনার পণ্য বা সার্ভিস কিছু মানুষের কাছে পৌঁছানো। যেমন আপনার ফেসবুক এর কোন একটি পোস্ট সেটা হতে পারে কোন ছবি বা ভিডিও।

আরও সহজ করে যদি বলি ধরুন আপনার ফেসবুক আইডিতে বা আপনার কোন পেজে আপনি কোন ছবি বা শর্ট ভিডিও পোস্ট করলেন সেটা কারা দেখতে পারবেন সেটা শুধু আপনার যারা ফ্রেন্ড লিস্ট রয়েছে বা যারা আপনার পেজে লাইক দিয়েছে শুধু তারা দেখতে পারবে। সে ক্ষেত্রে আপনার কোন ডলার বা টাকা খরচ হল না। আপনার আসে পাশে কিছু মানুষ শুধু এই পোস্ট দেখতে পারবেন এবং এই সার্ভিস সম্পর্কে জানতে পারবে। এটাকে মূলত বলে ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং।

ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং এর সুবিধা ও অসুবিধা

ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং এর তেমন কোন সুবিধা নেই বলার মত। শুধু একটা সুবিধা রয়েছে সেটা হল ফ্রিতে মার্কেটিং করা যায়। তবে ছোট খাটো বিজনেস জন্য ফ্রি মার্কেটিং ভাল তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার বিজনেস পেজ অথবা আইডিতে ভাল ফ্যান ফলোয়ার থাকতে হবে।

ফ্রি ফেসবুক মার্কেটিং অসুবিধা হল আপনি চাইলে কিন্তু আপনার মত করে বেশি মানুষের কাছে আপনার পণ্য বা সার্ভিসটি মার্কেটিং করতে পারবেন না। যারা আপনার পেজ লাইক দেয়া বা যারা আপনার আইডিতে ফ্যান শুধু মাত্র তারা আপনার পোস্ট দেখতে পারবে বাহিরের মানুষ দেখলেও সেটা অনেক কম।

পেইড ফেসবুক মার্কেটিং

সাধারণত ফেসবুক নিউজ ফিডে যে পোস্টগুলো স্পনসরড লেখা থাকে সে সব পোস্টই হলো পেইড ফেসবুক মার্কেটিং। আরও সহজ ভাবে বলতে গেলে টাকার বিনিময়ে ফেসবুক যে সব বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেগুলা হল পেইড মার্কেটিং। বা বুস্ট বলা হয় যাকে। পেইড মার্কেটিং একটি ফলপ্রসু মার্কেটিং। কারন এর মাধ্যমে সহজে আপনার কাঙ্খিত কাস্টমারের কাছে আপনার পণ্য বা সার্ভিস পৌঁছাতে পারবেন। আপনি কার কাছে পণ্য পৌঁছাতে চাচ্ছেন সেটা নিদিষ্ট করে দিতে পারবেন। নারী, পরুষ, মহিলা বয়স অনুযায়ী আপনি মার্কেটিং টার্গেট সিলেক্ট করে দিতে পারবেন পেইড মার্কেটিং। এ ধরণের বিজ্ঞাপন সাধারণত ফেসবুক নিউজফিডে বিভিন্ন পন্যের স্পন্সরড পোষ্ট হিসেবে শো হয় এবং ফেসবুক এর ডান পাশে বিভিন্ন পন্যের ছবি বা অফার আকারে শো হয়।

আর হাঁ ফেসবুক পেইড মার্কেটিং এর জন্য আপনার একটি সুন্দর ফেসবুক পেইজ থাকতে হবে। ফেসবুক প্রোফাইলের মাধ্যমে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়া যায় না।

ফেসবুক পেইড মার্কেটিং এ সফল হতে হলে ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজার সম্পর্কে খুব ভাল ধারনা রাখতে হবে। কারন ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজার থেকেই আপনি আপনার টার্গেটেড মানুষের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন করতে পারবেন। কি ভাবে ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজার এর মাধ্যমে আপনার বিজ্ঞাপন টাগেটিং মানুষের কাছে পৌছাবেন এবং ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজার কি ভাবে কাজ করে জানতে আমাদের ফেসবুক মার্কেটিং কোর্সটি করে ফেলতে পারেন।

ফেসবুক পেইড মার্কেটিং এর সুবিধা কি কি?

ফেসবুক এড ক্যাম্পেইন ব্যবহার করে শুধুমাত্র আপনার পণ্যের কাস্টমার টার্গেট করে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন। তখন ফেসবুক আপনার বিজ্ঞাপনটি শুধুমাত্র টার্গেট করা ফেসবুক একাউন্টে শো করবে। যার ফলে সব জায়গাতে বিজ্ঞাপন শো না হওয়ার কারনে আপনার খরছ অনেকাংশে কমে যাবে। তাছারা আরও সুবিধা রয়েছে যেমন-

  • ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি হওয়া সহজে প্রচার ঘটানো যায়।
  • যেকোনো জায়গা, শহর, দেশ বা লোকাল এরিয়া টার্গেট করে পন্যের বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।
  • নির্ধারিত পন্যের টার্গেট করা মানুষের কাছে প্রোডাক্ট পৌছানো সম্ভব হয়।
  • বিভিন্ন বয়সের মানুষকে টার্গেট করে প্রোডাক্ট মার্কেটিং করা যায়।
  • অন্যান্য মার্কেটিং এর তুলনায় অল্প খরছে ফেসবুক বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়।
  • অনলাইনে কোম্পানির ব্রান্ড তৈরি করার জন্য ফেসবুক সবচাইতে সহজ মাধ্যম।
  • ব্লগ/ওয়েবসাইট প্রচারের সহজ মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক।

ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করার উপায়

ফেসবুক মার্কেটিং করে আপনি চাইলে ঘরে বসে প্রতি মাসে একটা ভাল ইনকাম করতে পারেন। বর্তমানে অনেক ভাল নামী দামী ব্যান্ড তাদের পণ্যর মার্কেটিং করে থাকে ফেসবুক এর মধ্যে। আপনি একটু লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন অনেক তারকা বা সেলেব্রিটি তাদের পেজ এর মধ্যে অনেক দামী ব্র্যান্ড এর পণ্যের ছবি পোস্ট দিয়ে থাকে।

মেসি, রোনালদোর ফেসবুক পেজ থেকে অ্যাডিডাস অথবা নাইকির নতুন কোন জুতো নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়। প্রতিটি পোস্টের বিনিময়ে তারা লাখ লাখ টাকা পেয়ে থাকে। তেমনি ভাবে আপনার ফেসবুক পেজ থেকে কোন কোম্পানির পণ্যের পোস্ট দেয়ার বিনিময়ে আপনি কোম্পানি থেকে টাকা আয় করতে পারেন। কিন্তু তার জন্য আপনার পেজে অবশ্যই লাখ লাখ ফলোয়ার থাকতে হবে। যেন আপনি কোন পোস্ট করলে সেটা অনেক মানুষের কাছে পৌঁছায়।

ফেসবুক পেজ বিক্রির মাধ্যমে টাকা আয় করা যায়। আপনার পেজ এ যদি লাখের উপরে ফলোয়ার হয় অনায়াসে ভালো দামে আপনার পেজটি বিক্রি করতে পারবেন।

ভিডিও কন্টেন্ট থেকে ইনকাম

ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করেও টাকা আয় করা যায়। আপনার ভিডিও কনটেন্ট থেকে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন। ফেসবুক কিন্তু এখন পেজ Monetization ব্যবস্থা রয়েছে। আপনার পেইজ যদি একবার Monetization হয়ে যায় তাহলে সেখান থেকেও আপনি ভাল একটা ইনকাম প্রতি মাসে করতে পারবেন। তবে তার জন্য নিদির্ষ্ট পরিমাণ ভিউয়ার এবং নির্দিষ্ট সময় ভিডিওটি দেখা লাগবে।

ফেসবুক মার্কেটিং কি ভাবে শিখবেন?

এত সময় ধরে আমরা ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে অনেক কথা বললাম, ফেসবুক মার্কেটিং কি, কি ভাবে করতে হয়, ফ্রি এবং পেইড মার্কেটিং কি এবং এদের সুবিধা অসুবিধা সব কিছু নিয়ে জানলাম। এখন প্রশ্ন হল এত কিছু আপনি কি ভাবে শিখবেন কোথা থেকে শিখবেন? আপনি চাইলে গুগল অথবা ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে শিখতে পারেন তবে এই সব ক্ষেত্রে আপনি শুধু বেসিক ধারনা পাবেন। তাই আমি আপনাকে সাজেস্ট করব বর্তমানে অনলাইনে অনেক ভাল মানের পেইড কোর্স রয়েছে আপনি একটি ভাল মানের কোর্স করে ফেলুন।

কোর্সের সুবিধা হল আপনাকে হাতে কলমে সব শিখিয়ে দিবে এবং সাথে ফ্রি রিসোর্স দিয়ে দিবে যা আপনার অ্যাড রান করাতে এবং বিজনেস পেইজ সাজানো থেকে শুরু করে সব কিছু আপনি সেই পেইড রিসোর্স এবং সফটওয়্যার দিয়ে করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনি আমাদের এম এসবি একাডেমীতে ফেসবুক মার্কেটিং অ্যান্ড ম্যাসেঞ্জার চ্যাটবট এর উপর একটি কোর্স রয়েছে যা করলে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং এর সকল কিছু শিখে ফেলতে পারবেন। কোর্সের এক্সেস লাইফ টাইমের জন্য পেয়ে যাবেন এবং সাথে পাবেন পেইড অনেক রিসোর্স এবং সফটওয়্যার।

বর্তমান সময়ে ফেসবুক মার্কেটিং অনেক বড় একটি মার্কেটিং সেক্টর। আপনি যদি সঠিক ভাবে মার্কেটিং কৌশল জানতে এবং শিখতে পারেন তা হলে এই সেক্টর এ মার্কেটিং করে আপনার বিজনেসকে অন্য লেভেলে নিয়ে যেতে পারবেন। কিন্তু তার আগে আপনাকে ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজার সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে। তাই আমি বলব বর্তমানে অনলাইনে ফেসবুক মার্কেটিং এর অনেক কম দামী লো কোয়ালিটি কোর্স রয়েছে সেগুলা না করে একটু টাকা খরচ করে ভাল মানের কোর্স করবেন। কারন মার্কেটিং হল বিজনেসে সফল হওয়ার মূলমন্ত্র।

Leave a Reply

error: