Blog

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি ফ্রিল্যান্সারদের রিপ্লেস করতে পারবে?

সময়ের সাথে সাথে সব কিছুতে পরিবর্তন আসে। পুরাতনের সাথে নতুন করে যোগ হয় নতুন প্রযুক্তি। বর্তমান সময়ে টেকনোলোজি ওয়ার্ল্ডে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় হল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। শুরু দিকে এটি নিয়ে খুব একটা আলোচনা না হলেও ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে যখন চ্যাট জিপিটি নামক চ্যাটবট রিলিজ হয় তার পর থেকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে সবাই নতুন করে ভাবতে শুরু করে। ধীরে ধীরে এটি এখন প্রতিটা সেক্টরে তার প্রভাব বিস্তার করে যাচ্ছে। অনেকেই ধারনা করছে, ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে প্রায় সকল সেক্টরে রাজত্ব করবে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। মানুষের পরিবর্তে এই সুপার টেকনোলোজি মানুষের সকল কাজ কম সময়ে এবং দ্রুত করে দিতে সক্ষম হবে। অনেক মানুষ এতে কর্মহীন হয়ে যাওয়ার ধারনা করা হচ্ছে। এই ভাবনা থেকে বাদ যায়নি ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরও।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান এক্সপ্লোডিং টপিকসের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের ১৫৭ কোটি মানুষ ফ্রিল্যান্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত। আর তাঁদের মধ্যে ৭০ শতাংশের বয়স ৩৫ বছর বা তার কম। আর BFDS এর তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশে কম করে হলেও ৫ লাখ ৫০ হাজারের সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। এই হিসেবের বাইরে আরও অনেকেই রয়েছেন। ভবিষ্যতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি ফ্রিল্যান্সারদের রিপ্লেস করে দিবে কি না এই চিন্তা ভাবনায় পড়ে গেছেন অনেকেই। আজকের এই ব্লগে আমরা এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানব।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি?

শুরুতেই আপনাদেরকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে একটু ধারনা দেয়া যাক। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যা তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে যন্ত্র বা অ্যাপ্লিকেশনকে মানুষের বুদ্ধি ও চিন্তাশক্তির আদলে কাজের উপযোগী করে তোলে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) হল কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা যেখানে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কম্পিউটার দ্বারা অনুকৃত করার চেষ্টা করা হয়। AI-এর লক্ষ্য হল এমন কম্পিউটার এবং সফটওয়্যার তৈরি করা যা মানুষের মতো চিন্তা করতে, শিখতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। একদম সহজ করে বলতে গেলে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হচ্ছে কম্পিউটার সাইন্স ও উন্নত টেকনোলজি কাজে লাগিয়ে সৃষ্টি করা এমন বুদ্ধিমত্তা, যেটা মানুষের বুদ্ধিমত্তার অনুরূপ।

আপনি যদি Artificial Intelligence-এর অসীম ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে খুব সহজে প্রতি মাসে ২০০০-৩০০০ ডলার ইনকাম করতে চান, অথবা AI-এর সাহায্যে কন্টেন্ট ক্রিয়েট, ডিজাইন সেল এবং আরো বিভিন্ন উপায়ে Passive Income করতে চান এবং নিজের কাজের প্রোডাক্টিভিটিকে কয়েকগুন (2x) (3x) বাড়াতে চাইলে MSB Academy এর এই ইউনিক Make Money with Artificial Intelligence কোর্সটি হবে আপনার জন্য লাইফ চেঞ্জিং একটা কোর্স। একবার কোর্সের মধ্যে জয়েন হলে পাবেন লাইফ টাইম কোর্স এক্সেস লাইফ টাইম সাপোর্ট এবং লাইফটাইম আপডেট।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি ফ্রিল্যান্সারদের রিপ্লেস করতে পারবে?

আসলে এটি এমন একটি প্রশ্ন যার উওর হা বা না দিয়ে দেয়া খুব কঠিন। একটা কথা মনে রাখতে হবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিন্তু মানুষের তৈরি প্রযুক্তি। এটি নিজে নিজে কিছু করতে পারবে না। কিন্তু এই প্রযুক্তিকে সঠিক ভাবে কাজে লাগিয়ে মানুষের চেয়ে দ্রুত কাজ করিয়ে নেয়া সম্ভব। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন মেশিন, টুল ও চ্যাটবট তৈরি করা হচ্ছে, যেগুলোর মধ্যে চ্যাট জিপিটি, জিপিটি থ্রি, জিপিটি ফোর কিংবা মিড জার্নি এ.আই অন্যতম। এখন আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন, সাধারণ টুলের সাথে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিজাইন করা টুলের ডিফারেন্স কোথায়।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করা হয়েছে এমন টুলস যা কোনো কমান্ড ফলো করা বা রেসপন্স করার ক্ষেত্রে মানুষের মতো লজিক্যালি অ্যানালাইসিস করতে পারে। এই কারণে এগুলো যে আউটপুট শো করে, সেগুলো দেখলে আপনার কাছে মনে হবে এই আউটপুট কোনো মানুষই দিয়েছে। যেমন: চ্যাট জিপিটির কথাই ধরুন না! যে কোন প্রশ্নের উওর পেতে টেক্সটের সামারি কিংবা ট্রান্সলেশন করতে ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ প্রসেসিং মডেল চ্যাট জিপিটির জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। কারণ এই চ্যাটবট ইউজারদের যে আউটপুট প্রোভাইড করে, সেটা দেখলে মনে হয় কোনো মানুষের দেয়া উওর। মূলত এই সকল কারণেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফ্রিল্যান্সারদের কাজের সুযোগ কমিয়ে ফেলতে পারে কিনা সেটা নিয়ে এখন বড় ধরনের আলোচনা চলছে সবার মধ্যে।

কিন্তু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যতই নতুন নতুন AI টুলস সফটওয়্যার তৈরি করুন না কেন তার মধ্যে কিছু না কিছু লিমিটেশনস সবসময় থাকবে। যেমন-

১) ইউনিক আইডিয়া বের করা

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যতই শক্তিশালী হোক এটা কখনোই মানুষের মতো ক্রিটিক্যাল ও ইন ডেপথ থিংকিংয়ের মাধ্যমে ইউনিক আইডিয়া বা কনসেপ্ট বের করতে পারবেনা। আপনি AI টুলস দিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই টেক্সট, ইমেজ এমনকি ভিডিও জেনারেট করে ফেলতে পারলেও মানুষের মতো ইউনিক এবং ক্রিয়েটিভ কোনো কন্টেন্ট জেনারেট করতে পারবেননা। ইউনিক আইডিয়া এবং ক্রিয়েটিভ কন্টেন্ট জেনারেট করতে হলে মানুষর প্রয়োজন হবেই হিউম্যান টাচ লাগবে। আর ফ্রিল্যাসিং যেহেতু ক্রিয়েটিভ কাজ এবং এখানে বায়ারেরে আইডিয়া মত ইউনিক ভাবে কাজ করে দিতে হয় তাই এখানে মানুষের প্রয়োজন হবেই। হয়ত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সাহায্য নিয়ে কাজটা দ্রুত করা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ রূপে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স উপর নির্ভর হয়ে কাজ করা কিছুটা সম্ভব।

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে যারা গ্রাফিক ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন, ভিডিও এডিটিংয়ের মতো ক্রিয়েটিভ সেক্টরে কাজ করেন এই সেক্টরে প্রতিটা ডিজাইনের মধ্যে নতুন নতুন আইডিয়া তৈরি করতে হয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যতই আপগ্রেডেড ভার্সন আসুক এবং যতই প্রভাব বিস্তার করুক এই সেক্টর গুলাতে মানুষের মত আইডিয়া তৈরি করতে পারবে না।

২) কন্টেন্ট এর মান বা বৈধতা নিশ্চিত করা

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যেহেতু একটি সোর্স থেকে তথ্য দিয়ে থাকে তাই এটি ব্যবহার করলে কনটেন্ট ডুপ্লিকেশনের অনেক বড় চান্স থাকে। সেইসাথে AI টুলগুলো যে ডেটা শো করে সেই ডেটার বৈধতা নিয়েও কিন্তু সন্দেহ থেকেই যায়। তাই যারা কনটেন্ট রাইটিং বা রিসার্চ সেক্টরে ফ্রিল্যান্সিং করছেন, তাদের ক্যারিয়ারও কিন্তু সেইফ জোনে আছে বলা যায়। কারণ কোন ক্লায়েন্ট চাইবেন না যে তাদের কন্টেন্টে তথ্যের ভ্যালিডিটি নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলুক। হিউম্যান ব্রেইন থেকে যে কন্টেন্ট আসবে সেটা সম্পূর্ণ ইউনিক হবে এবং অন্যের কন্টেন্ট এর সাথে মিলে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব ই কম থাকবে।

৩) আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর কোন নিজস্বতা নেই

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI টুলগুলোর কোনো নিজস্বতা নেই। এগুলো ডিজাইন করা হয়েছে ইনটেলিজেন্ট অ্যালগোরিদমের মাধ্যমে অনেকরকম ডেটার সমন্বয়ে। যখন এই টুলগুলো একেকটা রেসপন্স জেনারেট করে সে রেসপন্সগুলো হয় টুলের মধ্যে থাকা ডেটাগুলো অ্যানালাইসিস করার মাধ্যমে। তাই এই টুলগুলো ইউজ করলে নতুন কোনো আইডিয়া বা কনসেপ্ট তৈরি কখনও সম্ভব নয়। ডাটা অ্যানালাইসিস করে রেসপন্স করা আর মানুষের মতো গভীরভাবে চিন্তা করে ফ্রেশ ও ইউনিক আইডিয়া বের করা এই দুটার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। তাই এদিক থেকেও কিন্তু আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স মানুষ থেকে বেশ পিছিয়ে রয়েছে।

তাই বলা যায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কখনও ফ্রিল্যান্সারদের রিপ্লেস করতে পারবেন না। কারণ ইউনিক কাজ করতে হলে হিউম্যান টাচ লাগবে। মানুষের চিন্তা এবং মেধার প্রয়োগ করতে হবে। কারণ প্রতিটা মানুষের চিন্তা ভাবনা এবং কাজের ধরণ আলাদা। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে যারা কাজ করিয়ে নেন বা যারা কাজ করেন তারা সবাই চায় অন্যের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এবং ইউনিক যেন হয় প্রতিটা কাজ।

ফ্রিল্যান্সাররা কিভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স থেকে সুবিধা নিতে পারে?

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে মানুষের কাজের চাহিদা যেমন থাকবে ঠিক তেমনি মানুষের প্রয়োজনও থাকবে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফ্রিল্যান্সারদের রিপ্লেস করতে পারবে না তবে ফ্রিল্যান্সার,রা চাইলে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সঠিক ব্যবহার করে তাদের কাজের গতি আরও বাড়াতে পারবে। অল্প সময়ে অনেক বেশি কাজ করতে পারবে। কারণ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর এমন কিছু কার্যকারী টুলস এবং সফটওয়্যার রয়েছে যার মাধ্যমে অনেক কাজ অল্প সময়ে সহজে করে ফেলা যায়। যেমন-

১) গ্রামারলি (Grammarly)

ফ্রিল্যান্সিংয়ের মার্কেটিং কিংবা সার্ভিস ডেসক্রিপশনের জন্য একটু লেখালেখি করতে হয়। অনেক সময় গ্রামার ঠিক থাকে না। আবার অনেক সময় যারা গ্রামে দুর্বল তারা অনেকেই কনফিউশনে পরে যায়। এই সমস্যা দূর করার জন্য এবং নির্ভুল গ্রামার প্রয়োগ করার জন্য ও আপনার লেখার ভুলগুলো চেক করার জন্য এবং সেই সাথে লেখার কোয়ালিটি বাড়িয়ে তুলতে ইউজ করতে পারেন Grammarly নামক টুলস। একইসাথে যদি কোনো কন্টেন্টের আউটলাইন তৈরি করতে চান, তাহলে ইউজ করতে পারেন কপি.এ আই টুলস। এতে করে আপনার কাজ আরও বেশি নির্ভুল এবং সহজ হবে।

২) আজুরে বট (Azure's Bot)  

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে ভালো কাস্টমার সার্ভিস দেয়া প্রতিটা ফ্রিল্যান্সারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এক্ষেত্রে বেষ্ট কাস্টমার সার্ভিস প্রোভাইড করতে সাহায্য নিতে পারেন Microsoft Azure's Bot সার্ভিসের মতো কনভারসেশনাল AI Bot এর । এতে করে ক্লায়েন্টদের যেকোনো প্রশ্নে দ্রুত রেসপন্স করতে পারবেন এবং এটা দিনশেষে কাস্টমারদের স্যাটিসফ্যাকশনও অনেকগুণ বাড়িয়ে তুলবে।

৩) মিড জার্নি এ আই (Midjourney Ai) 

ফ্রিল্যান্সিং বিজনেসের মার্কেটিংয়ের জন্য অল্প সময়ে ক্লায়েন্টদের ইমেজ জেনারেট করতে ইউজ করতে Midjourney Ai টুলস এর সহায়তা নিতে পারেন। এই টুলটার বিশেষত্ব হলো কিছু ডেসক্রিপশন ইনপুট করলেই খুব দ্রুত এটা ক্লায়েন্টদের ইমেজ জেনারেট করে দেয়। এতে করে আপনার অনেক মূল্যবান সময় বেঁচে যাবে।

midjourney ai

৪) স্ল্যাক (Slack AI)  

অনেক সময় একাদিক ক্লায়েন্টদের সাথে কাজ করতে গিয়ে অনেক কিছু আমরা যায়। কখন, কোন সময় কার সাথে মিটিং করার কথা ছিল, কোন বিষয়ে কথা বলার ছিল এই গুলা ভুলে যায় আবার অনেক সময় এলোমেলো লেগে যায়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আপনার ক্লায়েন্টদের সাথে মিটিংয়ের কাজগুলো সহজ করে তুলতে ইউজ করতে পারেন Slack AI টেকনোলজি ভিত্তিক কমিউনিকেশন টুল। এই টুলে রয়েছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় ফিচারস, যেমন: ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং, মিটিং প্ল্যানার ইত্যাদি যেগুলো একজন ফ্রিল্যান্সারকে কোন ক্লায়েন্টের সাথে কবে ও কখন মিটিং রয়েছে সে বিষয়ে আপডেটেড রাখার পাশাপাশি ক্লায়েন্টদের সাথে সঠিক ভাবে সঠিক সময়ে কমিউনিকেট করতে হেল্প করবে।

পরিশেষে একটি কথা বলা যায়, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানুষের তৈরি। এটি কখনও মানুষের রিপ্লেস হতে পারবে না। তবে যদি ফ্রিল্যান্সারা এর সঠিক ব্যবহার করতে পারে তাহলে তাদের কাজ আরও অনেক সহজ হবে এবং কাজের কোয়ালিটি এবং গতি অনেক বেড়ে যাবে। তাই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কে শত্রু না ভেবে বন্ধু ভাবতে হবে। এবং এর সঠিক ব্যবহার এবং প্রয়োগ শিখতে হবে। তবেই এর সুফল পাওয়া যাবে। আর এই বিষয়ে আমাদের Master In Artificial Intelligence (AI) নামের একটি কমপ্লিট কোর্স রয়েছে। এই কোর্সটি ভাল ভাবে কমপ্লিট করলে যে কেউ  আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে কমপ্লিট গাইডলাইন পেয়ে যাবে।

Comments

Leave a Reply