fbpx

লাইভ কোর্স Vs প্রি-রেকর্ডেড অনলাইন কোর্স – কোনটি ভালো?

live course vs pre-recorded course

প্রযুক্তির নিত্য নতুন উদ্ভাবনের ফলে আমাদের জীবন যাত্রার মানে যেমন পরিবর্তন এসেছে, ঠিক তেমনি নতুন কিছু শিখার ক্ষেত্রে এসেছে অনেক পরিবর্তন। প্রযুক্তির এই উন্নতির ফলে এখন যেকোন বয়সের মানুষ ঘরে বসে দেশ এবং দেশের বাহিরের অনেক কিছু শিখতে পারছে। কেউ হয়ত সরাসরি ভিডিও মাধ্যমে শিখছে, আবার কেউ হয়ত আগে থেকে করা ভিডিও টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে শিখছে।

কয়েক দশক আগেও মানুষ যা চিন্তা করত না, এখন সেটা বাস্তবে রুপ নিচ্ছে। বিশেষ করে একাডেমী পড়াশোনা থেকে শুরু করে কোন কিছু শিখতে চাইলে কায়িক পরিশ্রম করে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিখতে হত। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে প্রযুক্তির উন্নতির ফলে মানুষ এখন চাইলে ঘরে বসে সব শিখতে পারছে। যা অনলাইন লার্নিং নামে সবার কাছে পরিচিত। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এই অনলাইন লার্নিং এর চাহিদা বিগত এক দশকে ব্যাপক হারে বিকাশ পাচ্ছে।

পৃথিবীর সকল অনলাইন লার্নিং মূলত ২ ভাবে হয়ে থাকে।

  • সিনক্রোনাস লার্নিং
  • এসিনক্রোনাস লার্নিং

সিনক্রোনাস লার্নিংঃ সিনক্রোনাস লার্নিং হল এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সব কিছু এক সাথে এক সময়ে ঘটে থাকে। অর্থাৎ এটি সশরীরে ক্লাস রুমে উপস্থিত থাকার মত। কিন্তু সিনক্রোনাস লারিং এ সবাই ভার্চুয়াল ভাবে ক্লাসে উপস্থিত থাকে। একটি নিদিষ্ট সময়ে সবাইকে উপস্থিত থাকতে হয়। সবাই সবার থাকে কথা বলতে পারে, সবাই দেখতে পারে সবাইকে। উদাহরন স্বরূপ জুম বা গুগল মিটের মাধ্যমে ক্লাস, কনফারেন্সিং, টেলিকনফারেন্সিং এই সব কিছু সিনক্রোনাস লারিং এর অন্তর্ভুক্ত।

এসিনক্রোনাস লার্নিংঃ এসিনক্রোনাস লার্নিং পদ্ধতিতে শিখার সময় সম্পূর্ণ একজন শিক্ষার্থীর উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ একজন ইনসট্রাক্টর আগে থেকে প্রয়োজনীয় সব ম্যাটেরিয়াল দিয়ে ভিডিও আকারে সব কিছু তৈরি করে রাখেন। শিক্ষার্থীকে সেই ভিডিও দেখে শিখতে হবে। সেক্ষেত্রে শিখার জন্য যা যা প্রয়োজন সব কিছু সেখানে দিয়ে দেয়া হবে। শিক্ষার্থী তার সময় মত ভিডিও দেখে শিখে নিতে পারবে।

সিনক্রোনাস ও এসিনক্রোনাস লার্নিং পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে বর্তমানে অনেক অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ,ই লার্নিং একাডেমী দুই ধরনের শিক্ষা পদ্ধতির ব্যবস্থা করে থাকে। যাকে অনলাইন কোর্স বলা হয়। একটি লাইফ ক্লাস এর মাধ্যমে অন্যটি প্রি-রেকর্ডেড ভিডিও মাধ্যমে শিখানো হয়। দুই পদ্ধতি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা দুই পদ্ধতির মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করব। দুই পদ্ধতির সুবিধা, অসুবিধা সব কিছু বুঝানোর চেষ্টা করব।

লাইভ অনলাইন কোর্স

অনলাইনে সিনক্রোনাস লার্নিংয়ের জনপ্রিয় মাধ্যমগুলোর একটি হচ্ছে লাইভ ক্লাসের মাধ্যমে কোর্স করা। চলুন জেনে নেয়া যাক, এই লাইভ ক্লাসের সুবিধা, অসুবিধা,শক্তিশালী ও দুর্বল দিকগুলো নিয়ে।

✅ লাইভ কোর্সের কিছু সুবিধা রয়েছে। যেমনঃ

১) সরাসরি যোগাযোগের সুযোগঃ স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালে সরাসরি ক্লাস করলে যে সকল সুবিধা পাওয়া যায়, সে সব সুবিধা রয়েছে লাইভ ক্লাসের মধ্যে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, যেকোন প্রয়োজনে সরাসরি শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করা যায়। চাইলে যে কোন প্রশ্ন করা যায়। কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে সেটা আবার রিপিট করে বুঝে নেয়া যায়। অনেক সময় বন্ধুদের সাথেও বিষয় ভিত্তিক টপিক নিয়ে আলাপ আলোচনা করে অনেক কিছু বুঝে নেয়া যায়।

প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ক্লাস করে শিখার আরও একটি সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, ছাত্র এবং শিক্ষকের মধ্যে ফেইস টু ফেইস কথা বলা বা যোগাযোগ করতে পারা। লাইভ ক্লাসের মধ্যে এই সুবিধা রয়েছে। শিক্ষক চাইলে ছাত্রদের সাথে কথা বলতে পারে এবং যেকোন প্রশ্ন করার মাধ্যমে শিক্ষার্থী কতটুকু বুঝেছে সেটা যাচাই করতে পারে।

২) প্রয়োজন অনুযায়ী লেকচারের কাঠিন্য পরিবর্তন এর সুযোগঃ ধরুন ইন্সট্রাক্টর লাইভ ক্লাসে মিয়োসিস কোষ বিভাজন পড়াচ্ছেন। পড়াতে যেয়ে তিনি দেখলেন অনেক শিক্ষার্থীর মাইটোসিস কোষ বিভাজন সম্পর্কেই পরিষ্কার ধারণা নেই। যেহেতু এটা একটা লাইভ ক্লাস, তিনি কিন্ত চাইলেই ১৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় নিয়ে মাইটোসিস কোষ বিভাজনটা বুঝিয়ে দিতে পারবেন।

আবার অন্যদিকে ইন্সট্রাক্টর যে গতিতে লেকচার দিচ্ছেন অনেক শিক্ষার্থী হয়ত সেটার সাথে তাল রাখতে পারছেন না,সেক্ষেত্রে ইন্সট্রাক্টর চাইলে তার লেকচার দেয়ার গতি একটু কমিয়ে আরও ধীর ভাবে বুঝাতে পারবেন। প্রয়োজনে পুনরায় বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে পারেন।

৩) প্রাসঙ্গিকতার বিচারে কনটেন্ট পরিবর্তনের সুযোগঃ সময়ের সাথে সাথে পৃথিবীতে সব কিছুর মধ্যে একটা পরিবর্তন আসে। প্রযুক্তি ও গবেষণার বিকাশের ফলে প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন ধারণা আবিষ্কৃত হচ্ছে। আমরা আজ যা শিখছি বা জানছি কয়েক বছর পর হয়ত সে বিষয়ে অমূল ধারণা পাল্টে যাছে। নতুন কিছু যোগ হচ্ছে। লাইভ ক্লাসের ক্ষেত্রে খুব সহজেই যে কোনো টপিকের নতুন ধারণাগুলোকে যুক্ত করে নতুন একটি ক্লাস নিয়ে ফেলা সম্ভব।

❌ লাইভ ক্লাসের যেমন সুবিধা রয়েছে ঠিক তেমনি কিছু অসুবিধা বা দুর্বল দিক রয়েছে। যেমনঃ

১) কন্টেন্টের গভীরতা কমঃ অনেক টপিক রয়েছে যা গভীর ভাবে বুঝাতে গেলে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় নিয়ে ক্লাস নিলে অডিয়েন্স আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। অডিয়েন্স যেন আগ্রহ হারিয়ে না ফেলে সেই দিকে ইনসট্রাক্টর খেয়াল রাখতে গিয়ে অনেক সময় বিষয়ের গভীরে যাওয়া হয় না। বেসিক একটি ধারণা দিয়ে ক্লাস শেষ করতে হয়।

২) ক্লাসের জন্য শিক্ষার্থীদেরদের আলাদা সময় বের করতে হয়ঃ প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ফিজিকাল ভাবে ক্লাস করার জন্য যেমন আলাদা সময় বের করতে হয়, অনলাইনে লাইভ ক্লাসের জন্য ঠিক একই ভাবে আলাদা সময় বের করতে হয়। একটি নিদিষ্ট সময়ে লাইভ ক্লাসটি শুরু হয়। সেই সময় আপনি যদি অফিসের কাজে ব্যস্ত থাকেন,অথবা জ্যাম আটকে থাকেন তাহলে, সেই দিনের ক্লাসটি যথাযত ভাবে করতে পারবেন না। আর একটি ক্লাস মিস হয়ে গেলে সেটি রিকভার করা খুবই ঝামেলা।পরবর্তীতে সে ক্লাসটি একা করলেও লাইভ ক্লাসের মজা বা ফিলিন্স আর পাবেন না।

৩) ইন্টারনেটের অস্থিতিশীলতাঃ অনলাইনে লাইভ ক্লাসের পূর্বশর্ত হল নিরিবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবস্থা। ভাল মানের ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবস্থা না থাকলে মনোযোগ সহকারে লাইভ করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে লেকচার যত ভাল মানের হোক না কেন, ইন্টারনেট ব্যবস্থা ভাল না হলে ক্লাসের প্রতি কোন আগ্রহ থাকে না।

৪) ক্লাসের গতি সবার জন্য এক রকম নয়ঃ আমাদের সবার কিন্তু বুঝার দক্ষতা এক রকম নয়। ক্লাসের মধ্যে কেউ হয় খুব দ্রুত একটি অংক ভাল ভাবে বুঝে ফেলে, আবার কারও হয়ত একটু বেশি সময় লাগে। এইটা স্বাভাবিক যে এক এক জনের বুঝার গতি এক এক রকম। এখন যে দ্রুত বুঝে গেল তার কাছে ক্লাসে ইনসট্রাক্টর এর লম্বা লেকচার খুবই বোরিং মনে হতে পারে। তার মনে হতে পারে ইনসট্রাক্টর খুব ধীরে লেকচার দিচ্ছেন।

ফিজিকাল ক্লাসে এই সমস্যা ফেইস করলে শিক্ষার্থী সরাসরি শিক্ষককে জানাতে পারে। কিন্তু অনলাইন ক্লাসে সেটা সম্ভব হয়ে উঠে না, কারন সেখানে অনেক অপরিচিত মানুষ রয়েছে। তখন অনেকেই এই বিষয়টি শিক্ষককে জিজ্ঞেস করতে সংকোচ বোধ করেন।

প্রি-রেকর্ডেড অনলাইন কোর্স

✅ প্রি-রেকর্ডেড কোর্সের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে যা লাইভ কোর্সের মধ্যে পাওয়া যায় না। সে রকম কিছু সুবিধা হলঃ

১) লেকচারের কোয়ালিটি অপটিমাইজেশন

প্রি-রেকর্ডেড ক্লাসের জন্য একজন ইনসট্রাক্টর পর্যাপ্ত পরিমানে সময় পায়। সিলেবাস নিয়ে চিন্তা করার জন্য অনেক বেশি সময় হাতে থাকে একজন ইনসট্রাক্টরের। ক্লাস কি রকম হবে, কোথা থেকে শুরু করলে বুঝতে সুবিধা হবে, কোন কোন বিষয় গুলা আগে বুঝাতে হবে, কি ধরনের উদাহরন দেয়া হবে, কোন বিষটি অ্যানিমেশন এবং গ্রাফিক্স এর মাধ্যমে বুঝাতে হবে, অ্যানিমেশন এবং গ্রাফিক্স কেমন হবে এই সব কিছু নিয়ে আগে থেকে ভেবে চিন্তে ইনসট্রাক্টর কোর্সটি তৈরি করেন।

লাইভ সেশনে যেমন অনেকটা Freestyle একজন শিক্ষক লেকচার দিয়ে যান, রেকর্ডেড কনটেন্টের বেলায় সেই লেকচার আরও অনেক বেশি ক্যালকুলেটিভ থাকে। এই জন্য একই টপিক বুঝানোর জন্য লাইভ ক্লাস থেকে প্রি-রেকর্ডেড কোর্সে সময় অনেক কম লাগে এবং বুঝানোর কোয়ালিটি অনেক বেশি ভাল থাকে।

আপনি একটু লক্ষ্য করে দেখবেন লাইভ ক্লাসের মধ্যে যে বিষয় বুঝতে ১ থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লেগে যেত, ১৫ মিনিট এর একটি প্রি-রেকর্ডেড কোর্সের ভিডিও থেকে একই বিষয় আপনি আরও সুন্দর এবং সহজ ভাবে বুঝে ফেলতে পারছেন।

২) নিজের মত করে শিখার সুযোগ

একজন শিক্ষার্থীকে তার স্কুল বা কলেজের একাডেমী পড়াশোনা শেষ করে লাইভ কোর্সের জন্য আলাদা সময় বের করতে হয়। অন্যদিকে একজন চাকরিজীবীকে তার অফিসের কাজ শেষ করে লাইভ ক্লাসের জন্য আলাদা করে সময় বের করা খুব কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। সে দিক থেকে প্রি-রেকর্ডেড কোর্সের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল নিজের সুবিধা মত সময় বের করে শিখা যায়।

আপনি আপনার প্রতিদিনের কাজ শেষ করে নিজের পছন্দের সময় মত Relax ভাবে মনোযোগ দিয়ে শিখতে পারবেন।

৩) টেকনিক্যাল সমস্যা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না

ধরুন, এখন আপনার ইন্টারনেট গতি অনেক কম বা ইন্টারনেট কানেকশনে সাময়িক সমস্যা হচ্ছে যার জন্য কোর্সটি দেখতে পারছেন না, এইটা নিয়ে আপনাকে কোন চিন্তা করতে হবে না। আপনি আপনার সময় মত যখন সব কিছু ঠিক হবে তখন আপনার সুবিধা মত ভিডিও দেখতে পারবেন। প্রি-রেকর্ডেড কোর্সে টেকনিক্যাল কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

8) অপ্রয়োজনীয় কন্টেন্ট বা বিষয় বাদ দেয়ার সুযোগ

প্রি-রেকর্ডেড কোর্সে ইনসট্রাক্টর অনেক আগে থেকে চিন্তা ভাবনা করে কোর্সের লেকচার প্ল্যান করে থাকেন, তাই সেখানে অপ্রয়োজনীয় বিষয় অনেক কম থাকে। প্রয়োজনীয় এবং প্রসঙ্গিক বিষয় নিয়ে সম্পূর্ণ কোর্সটি তৈরি করা হয়। তাই বুঝতে অনেক বেশি সুবিধা হয়। যা লাইভ ক্লাসে কখন সম্ভব হয় না।

৫) ক্লাসের সংখ্যার ও সময়ের কোন লিমিটেশন নেই

লাইভ ক্লাসের একটি নিদিষ্ট সময় থাকে। যেমন, তিন মাস মেয়াদি একটি কোর্স, সপ্তাহে ৩ দিন ১ থেকে দেড় ঘণ্টা ক্লাস হবে, এই সময়ের মধ্যে শিখতে হবে। যার ফলে যেকোন টপিকের গভীর ভাবে আলোচনা করা যায় না।

সেদিক থেকে প্রি-রেকর্ডেড কোর্সের সময়ের কোন লিমিটেশন নেই। প্রি-রেকর্ডেড কোর্সের মধ্যে যেকোন টপিকের গভীরে আলোচনা করার সুযোগ অনেক বেশি থাকে।

❌ প্রি-রেকর্ডেড কোর্সের অসুবিধা ও দুর্বল দিকঃ প্রি-রেকর্ডেড কোর্সের অসুবিধা বলতে তেমন কিছু নেই দুই একটি বিষয় ছাড়া। যেমন প্রি-রেকর্ডেড কোর্সে আপনি চাইলে সরাসরি ইনসট্রাক্টর এর সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন না। কোর্সটি আপনাকে একা একা করতে হবে। ক্লাস রুমের মত সবার সাথে মিলেমিশে শিখার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবেন।

MSB Academy প্লাটফর্মের প্রি-রেকর্ডেড অনলাইন কোর্স ও আমাদের চিন্তাভাবনা

এমএসবি একাডেমী বাংলাদেশের সেরা অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম। এমএসবি একাডেমী প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই আমরা প্রি-রেকর্ডেড কোর্সের উপর বেশি জোর দিয়ে আসছি। শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিটি কোর্সের কোয়ালিটির দিকে বিশেষ নজর দিয়ে থাকে এই প্লাটফর্মের প্রতিটি ইন্সট্রাক্টর। কারন এমএসবি একাডেমী বিশ্বাস করে, “Quality Matters! Not Quantity” কোর্সের ভিডিও কোয়ালিটি, অডিও কোয়ালিটি, অ্যানিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন সব কিছুতে হাই কোয়ালিটি বজায় রেখে প্রতিটি কোর্স শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করে থাকে।

এম এসবি একাডেমী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন শিখন পদ্ধতি নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করে যাচ্ছে, লাইভ ক্লাসের শক্তিশালী দিকগুলো কিভাবে প্রি-রেকর্ডেড ক্লাসে নিয়ে আসা যায়, বা প্রি-রেকর্ডেড ক্লাসের দুর্বল দিকগুলো কিভাবে দূর করা যায় তা নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি! যেমন, আমরা শিক্ষার্থীদের শিখার সুবিধার জন্য আমাদের সকল কোর্সের এক্সেস লাইফ টাইমের জন্য দিয়ে থাকি। রয়েছে লাইফ টাইম ফ্রি আপডেট, এবং লাইফ টাইম ইনসট্রাক্টর সাপোর্ট। আর এর জন্য দেশ এবং দেশের বাইরের বাংলা ভাষাভাষী সব স্টুডেন্টরা আমাদের প্লাটফর্মের কোর্স করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। এমনকি আমাদের প্লাটফর্মের প্রতিটি কোর্সেই অনেক বেশি In-Depth শিখানো হয়, অ্যান্ড এডভান্স টপিকগুলো ভালোভাবে কভার হয়ে থাকে। যার ফলে এই প্লাটফর্মের ৯৫% স্টুডেন্ট কোর্স করে যে যার কর্মক্ষেত্রে ম্যাক্সিমাম সাকসেসটা নিয়ে আসতে পারছে। যার ফলে আমাদের প্লাটফর্মের সুনাম এখন দেশ ও দেশের বাইরের মানুষের কাছেও ছড়িয়ে গেছে।

সময় ও প্রযুক্তির সাথে সাথে মানুষের লাইফস্টাইল ও আচরণগত পরিবর্তনের সাথে মানুষের শিখার পদ্ধতিতে এসেছে পরিবর্তন। সেই পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে এবং শিক্ষার্থীদের ফীডব্যাক অনুযায়ী, এমএসবি একাডেমীর ইন্সট্রাক্টররা কোর্সগুলাতে প্রতিনিয়ত আপডেট নিয়ে আসার মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীদের বেস্ট একটা লার্নিং এক্সপেরিয়েন্স উপহার দেয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

লাইভ কোর্স Vs প্রি-রেকর্ডেড কোর্স কোনটি ভাল?

আমরা মনে করি এটি একটি বিতর্কিত প্রশ্ন। কারন প্রত্যেকের শিখার কৌশল এবং ভালালাগা ভিন্ন ধরনের। আবার শুধু কোর্স করলেই কিন্তু হয় না, কে আপনাকে শিখাচ্ছে? যে শিখাচ্ছে তার শিখানোর স্টাইল বা তার কাজ করার এক্সপেরিয়েন্স কেমন? সেটাও কিন্তু খুবই ইম্পরট্যান্ট একটা ফ্যাক্টর। অনেক স্টুডেন্টের কাছে হয়ত লাইভ কোর্স বেশি ভাল লাগে, আবার কেউ হয়ত প্রি-রেকর্ডেড কোর্সে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তবে সার্বিক দিক যদি বিবেচনা করি তাহলে বর্তমান সময়ে ভাল মানের একাডেমীর প্রি-রেকর্ডেড কোর্স অনেক বেশি সুবিধাজনক। কারণ সেই ক্ষেত্রে কোর্সের কন্টেন্ট আপনি যখন ইচ্ছা তখন নিজের সুবিধা মত দেখে শিখতে পারছেন।

আর MSB Academy প্লাটফর্মের প্রি-রেকর্ডেড কোর্স বাংলাদেশের অন্য সব প্লাটফর্ম থেকে সেরা কারণ, কোর্সে এনরোল করলেই Lifetime Access + Lifetime Instructor Support + All Future Updates ছাড়াও কোর্সের মধ্যে পেইড অনেক রিসোর্স দিয়ে দেয়া হয়, যা নতুনদের কাজ করার ক্ষেত্রে অন্য সবার থেকে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করে। যা কিনে ব্যাবহার করতে গেলে অনেক ডলার এর প্রয়োজন হত।

পরিশেষে একটি কথা, আপনি নিজে যেভাবে শিখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন সেটিই আসলে আপনার জন্য বেশি কার্যকর হবে। আমি জাস্ট এই ব্লগে আমার মতামত এবং পয়েন্ট অফ ভিউ তুলে ধরলাম।

আপনার পছন্দের শিখার মাধ্যম কোনটি? লাইভ কোর্স নাকি প্রি-রেকর্ডেড অনলাইন কোর্স? আপনার সুন্দর গঠনমূলক মতামত জানাতে পারেন কমেন্ট বক্সে!

#HappyLearning #MSBAcademy

Leave a Reply

error: Alert: Content selection is disabled!!