fbpx

ঘরে বসে অনলাইন থেকে ইনকামের ১০টি সহজ উপায়

best ways to earn money online from home

মানুষ এখন প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করে বাহিরের কাজের পাশাপাশি ঘরে বসেও ইনকাম করছে। কেউ হয়ত পার্ট-টাইম হিসেবে করছে আবার কেউ হয়ত ফুল-টাইম। আবার কেউ হয়ত সেটাকে প্রফেশন হিসাবেই হিসেবে বেছে নিয়েছে। আপনার আশেপাশে অনেকেই দেখবেন পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি এক্সট্রা ইনকাম জন্য ঘরে বসেই অনেক কাজ করছে। আবার অনেকে অনলাইন থেকে ইনকামের চেষ্টা করছে কিন্তু ইনকামের সঠিক রাস্তা খুঁজে পাচ্ছে না। তাই আপনার যদি মনের মধ্যে ইচ্ছা জাগে আপনার কাছে থাকা ল্যাপটপ এবং বাসায় থাকা ইন্টারনেট কানেকশন কাজে লাগিয়ে ঘরে বসে ইনকাম করবেন, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। কারণ, আজাকের এই আর্টিকেলে আমরা জানব কোন ১০টি কাজ করে আপনি ঘরে বসেই অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন এবং যদি আপনি সে কাজগুলা না জানেন তাহলে কি ভাবে শিখে ইনকাম করবেন সেই ব্যাপারেও ধারণা দেয়া হবে।

১) ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম

আপনার কোন এক বা একাধিক কাজের স্কিল থাকলে, সেটার সার্ভিস অনলাইনে দেয়ার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ফ্রিলান্সিং করার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে আপনি মূলত দুইভাবে কাজ করতে পারেন। Upwork, Freelancer প্ল্যাটফর্মে আপনাকে ক্লায়েন্টের প্রজেক্ট দেখে বিড করে কাজ পেতে হবে, আর Fiverr মার্কেটপ্লেসে আপনি আপনার কাজ গিগ আকারে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখতে পারবেন এবং ক্লায়েন্টের আপনার সার্ভিস পছন্দ হলে আপনার সাথে কথা বলে অর্ডার করবে। সময়ের মধ্যে ডেলিভারি করতে পারলে ক্লায়েন্ট আপনার সার্ভিসের রিভিউ দিয়ে কমপ্লিট হিসাবে অর্ডারটি ক্লোজ করবে। কাজ ক্লোজ করার ১৫ দিনের মধ্যেই পেওনিওয় বা অন্য পেমেন্ট মেথডের মাধ্যমে বাংলাদেশের একাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন।

আপনি যদি ফ্রিলান্সিং করার মাধ্যমে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান, তাহলে ফাইভার মার্কেটপ্লেসে কীভাবে দাপটের সাথে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন? সেই ব্যাপারে একটি কমপ্লিট কোর্স আমাদের এই MSB Academy-প্লাটফর্মেই রয়েছে। অলরেডি ৩০০০+ বাংলাদেশী স্টুডেন্ট আমাদের ফাইবার সাকসেস কোর্সটিতে জয়েন করেছে। কোর্সটিতে ফাইভারে প্রচুর চাহিদা আছে এমন ১৮ রকমের ভিন্ন ভিন্ন কাজ শিখানোর পাশাপাশি মার্কেটপ্লেসে ভালো করার সব সিক্রেট টিপস শেয়ার করা হয়েছে। কোর্সে জয়েন করলেই পাবেন লাইফ টাইম কোর্সের অ্যাক্সেস অ্যান্ড ভবিষ্যতের সব আপডেট সম্পূর্ণ ফ্রিতে।

২) অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

ইনভেস্ট বা পুজি ছাড়া বর্তমান সময়ে ঘরে বসে কেউ যদি ইনকাম করতে চায়, তার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল বিশাল একটি সুযোগ। এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে গেলে আপনাকে বিশাল জ্ঞানের পণ্ডিত হতে হবে না। ফেসবুক, নিজের পার্সোনাল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব সব জাগায় আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করতে পারবেন। যা শিখতে এবং করতে আপনার কোন রকম টাকা লাগবে না। সহজ কথায় যদি বলি, ধরুন আপনার কোন প্রোডাক্ট আছে, আমি আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন করে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি করলাম। এখন আপনি আমাকে এজন্য কমিশন দিবেন। এটাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অন্যের পণ্য বিক্রি করে টাকা আয়। অনলাইনে কাজটি আরো বেশি সহজ। যত বেশি মানুষ আপনার সেই প্রোডাক্ট গ্রহন করবে আপনি তত বেশি কমিশন পাবেন।

একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝায়, যেমন MSB Academy তাদের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের ২০% করে কমিশন দিয়ে থাকে। অ্যাফিলিয়েটদের প্রোমোট করা কোর্সগুলো যখন শিক্ষার্থীরা ক্রয় করেন, তখন প্রতিটি কোর্সের বিক্রয়মূল্য থেকে ২০% কমিশন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার পেয়ে যায়! অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী কোনো অ্যাফিলিয়েটের মাধ্যমে ৩০০০ টাকার একটি কোর্স কিনলে সেই অ্যাফিলিয়েট পাবেন ৬০০ টাকা! আপনি একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করেও প্রতিদিন হাজার টাকার উপরে আয় করতে পারবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। আর আপনি যদি অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান, তাহলে জয়েন করতে পারেন আমাদের বেস্টসেলিং Amazon Affiliate Marketing with YouTube কোর্সটিতে। এই কোর্সে জয়েন করার ২-৩ মাস পর থেকেই অনেক স্টুডেন্টদেরই প্যাসিভ ইনকাম শুরু হয়ে গেছে!!

৩) ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে আয়

বর্তমান যুগ ডিজিটাল যুগ। যেকোনো কিছু অনলাইনে প্রচার এবং সেল বাড়ানোর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোন বিকল্প নাই। বর্তমান বিশ্বে প্রায় ৫ বিলিয়নের বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আর বাংলাদেশের প্রায় ৭ কোটিরও বেশী মানুষ সোশ্যাল মিডিয়াতে কানেক্টেড এবং এই সংখ্যাগুলো আগামী ৫-১০ বছরে দ্বিগুণ থেকে দ্বিগুণতর হবে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনার বিজনেস অনলাইনে হোক কিংবা অফলাইনে, অথবা আপনি যদি মার্কেটিং এক্সপার্ট হিসাবে লোকালি কিংবা গ্লোবালি সার্ভিস দিতে চান তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোন বিকল্প নাই। ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং কীভাবে শিখা শুরু করবেন? এই ব্যাপারে বিস্তারিত ধারণা পেতে এই ভিডিওটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে দেখে ফেলুনঃ

প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে এই ইন্টারনেট দুনিয়ায় রাজত্ব করতে চাইলে আমাদের বেস্টসেলিং All in One Digital Marketing কোর্সটি হবে আপনার জন্য পারফেক্ট একটি কোর্স। ব্লগিং, SEO, অ্যাফিলিয়েট, ফেসবুক মার্কেটিং, ইউটিউব, কুপন বিজনেস থেকে শুরু করে ১৪টির বেশি মার্কেটিং সেক্টরে এক্সপার্ট হয়ে যাবেন, যা আপনাকে প্রতি মাসে হাজার ডলার+ ইনকাম জেনারেটে সাহায্য করবে।

৪) ব্লগ সাইটের মাধ্যমে আয়

Blogging হচ্ছে এমন একটি উপায় যার মাধ্যমে আপনি অনলাইন থেকে ভাল উপার্জন করতে পারেন। ব্লগ ওয়েবসাইট দুই ভাবে বানাতে পারেন, ব্যক্তিগত এবং সোস্যাল। ব্যক্তিগত ব্লগে শুধু আপনি আপনার জ্ঞ্যান বা আইডিয়া গুলো লিখে পাঠকদের কাছে তুলে ধরতে পারবেন। আর সোশ্যাল ব্লগের মাধ্যমে যে কোন ইউজার লগিন করে তাদের নিজস্ব জ্ঞ্যান বা আইডিয়া গুলো আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারবে। লেখা যত বেশি হবে, পাঠকের সংখ্যা তত বেশি বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। সুতারাং পাঠকের সংখ্যা যত বেশি হবে আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং এবং ট্রাফিক বেশি হবে। ট্রাফিক যত বেশি হবে তত বেশি উপার্জন করতে পারবেন। আর আপনি যদি চান সম্পূর্ণ ফ্রিতে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে ব্লগিং শুরু করতে এবং লিখা লিখি শুরু করার মাধ্যমে ইনকাম স্টার্ট করতে তাহলে এই প্লেলিস্টের সবগুলো ভিডিও দেখে ফেলুন। তাহলে ইনশাআল্লাহ্‌ কমপ্লিট একটি ধারণা পেয়ে যাবেন।

এছাড়া আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়েও প্রফেশনাল মানের ব্লগ সাইট খুব সহজে বানাতে পারেন। যদিও এই ক্ষেত্রে Domain, Hosting অ্যান্ড Premium Theme কিনতে আপনার কিছু টাকা খরচ করতে হবে। কিন্তু আপনি এই ব্লগিং লাইনে সিরিয়াস হয়ে থাকলে ওয়ার্ডপ্লেস দিয়ে সাইট তৈরি করাই আপনার জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে। কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন করে ব্লগ সাইট বানাবেন? এই বিষয়ে ভাল ভাবে জানতে এবং শিখতে আপনি আমাদের ওয়ার্ডপ্রেস কাস্টমাইজেশন এই কোর্সটি করে নিতে পারেন। কোর্সটিতে স্টুডেন্টদের কাজের সুবিধার জন্য ১৫০০ ডলার মূল্যের প্রিমিয়াম থিম এবং প্লাগিনের লাইফটাইম লাইসেন্স দেয়া হবে! তাই আপনি অনেক সহজেই নিজের জন্য প্রফেশনাল একটি ব্লগ ওয়েবসাইট নিজেই তৈরি করতে পারবেন। শুধু তাই না আপনি চাইলে অন্যর ওয়েবসাইট তৈরি করে দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।

৫) ইউটিউব থেকে আয়

বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটির বেশি মানুষ নিয়মিত ইউটিউবে ভিডিও দেখেন। প্রত্যেক মিনিটে এই প্ল্যাটফর্মে ৫০০ ঘণ্টা ভিডিও স্ট্রিম হয়। ইউটিউব এখন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়। সে কথা এখন অনেকেরই জানা। আয়ের অন্যতম মাধ্যম ইউটিউব। অনলাইন থেকে ইনকামের আরও একটি মাধ্যমে হল ইউটিউব। আপনি যদি ইউটিউবে একটি চ্যানেল ওপেন করে ভাল মানের ভিডিও তৈরি করে সেখানে আপলোড দেন তাহলে সেখান থেকেও প্রতি মাসে ভাল ইনকাম করতে পারবেন। তবে তার জন্য অবশ্যই আপনাকে ইউটিউবের কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। ইউটিউব চ্যানেল ইউটিউব এর সকল শর্তাবলী পুরন করলে আপনি আপনার ভিডিও তে গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করতে পারবেন। তবে সেটা অবশ্যই সেটা নিজের ভিডিও হতে হবে অন্যের কপি করা ভিডিও দিলে হবে না। আর ভিডিও শিক্ষণীয় হতে হবে অথবা ভাল কোন আইডিয়ার ভিডিও হতে হবে যেন মানুষ সেটা দেখে। কেবল এক দুই টাকা নয়, লোকেরা ইউটুবে হাজার এবং লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছেন। একটি ইউটিউব চ্যানেল প্রফেশনালভাবে কীভাবে তৈরি করবেন? সেই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখে ফেলুনঃ

শুধু মজার বা বিনোদন ভিডিও আপলোড দিয়ে নয়, আপনি চাইলে অ্যাফিলিয়েট করার মাধ্যমে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারেন। আমরা সবাই জানি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট অ্যামাজন (Amazon.com) আপনি অ্যামাজন এর কোন প্রোডাক্টটি নিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করেন সেই প্রোডাক্ট এর ভাল মন্দ, সুবিধা, অসুবিধা সব কিছু সেখানে তুলে ধরতে হবে এবং শেষে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কটি দিয়ে দিবেন। আপনার দেয়া অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কে কিক্ল করে যত মানুষ অ্যামাজন থেকে পণ্য কিনবে আপনি তত বেশি কমিশন পাবেন। আপনি যদি এই বিষয়ে শিখতে চান তাহলে আপনার জন্য সুখবর হচ্ছে এমএসবি একাডেমীতে Amazon Affiliate Marketing With YouTube এই বিষয়ে একটি কোর্স রয়েছে। সেখানে কোন রকম ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ইউটিউবে ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে কীভাবে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্যাসিভ ইনকাম করা যায়, সেই ব্যাপারে সব সিক্রেট টিপস অ্যান্ড ট্রিক্স পাবেন এই কোর্সে। খুব ভালো ইংলিশ না পারলেও হবে! আর কাজ করতে যা যা লাগবে সব কিছুই দিয়ে দেয়া হবে কোর্সের সাথে।

৬) মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে আয়

অ্যান্ডয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্টের এখন স্বর্ণ যুগ। আপনার যদি প্রোগ্রামিং নিয়ে ইন্টারেস্ট থাকে তাহলে শিখতে পারেন অ্যান্ডয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট। অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শিখলে নিজের বানানো অ্যাপ থেকে Google Admob এর মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন, অ্যাপ সেল করেও ইনকাম করতে পারবেন। কারন বর্তমানে এন্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার কারির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

আপনি যদি একজন প্রোফেশনাল এন্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপার হয়ে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনার জন্য রয়েছে একটি বিশাল সুযোগ MSB Academy-তে Complete Android App Development Masterclass In Bangla একটি কোর্স রয়েছে যা শিখলে আপনি শিখলে নিজের বানানো অ্যাপ থেকে ঘরে বসে ইনকাম করতে পারবেন। ৭০+ ঘণ্টার এই কোর্সটিতে প্রোগ্রামিং এর বেসিক থেকে এডভান্স এবং তারপর বেসিক কিছু অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করে কীভাবে এডভান্স সব অ্যাপ তৈরি করে ফেলা যায় এবং কীভাবে অ্যাপে Admob এর অ্যাড যুক্ত করে অ্যাপ থেকে ইনকাম করা যায় সেই ব্যাপারে স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইডলাইন দেয়া হয়েছে।

৭) ফেসবুক থেকে আয়

আমরা সবাই জানি ইউটিউবে চ্যানেল খুলে মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করা যায়। আপনি চাইলে এখন ফেসবুকে পেজ খুলে ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করতে পারবেন। কিন্তু পেজে ভিডিও আপলোড দিলে ত আর ইনকাম হবে না। তার জন্য ফেসবুক এর কিছু নিয়ম রয়েছে। আপনার পেজে সেই নিয়ম গুলা ফিলাপ হলে ফেসবুক আপনার পেজ মনিটাইজেশন দিবে এবং In-Stream Ads আপনার ভিডিওতে শো করানোর মধ্যে দিয়ে আপনি ভিডিও থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

আপনার পেইজে যদি অনেক লাইক ফলোয়ার থাকে তাহলে অনেক বড় বড় কোম্পানির পণ্য আপনার পেইজে স্পন্সর করার মাধ্যমেও আয় করতে পারবেন। ফেসবুক থেকে আয় সম্পর্কে জানতে এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন বিস্তারিত জানতে পারবেন। এছাড়া যেকোনো প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের সেল বৃদ্ধি, সম্পূর্ণ ফ্রি মেথডে ফেইসবুক থেকে ইনকাম, মেসেঞ্জার চ্যাটবটের মাধ্যমে সাপোর্ট সিস্টেম Automate করা ছাড়াও, সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসাবে জব কিংবা এজেন্সি পরিচালনা করার মাধ্যমে আপনার কিংবা ক্লাইন্টের যেকোনো বিজনেসকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যেতে চাইলে জয়েন করতে পারেন আমাদের বেস্টসেলিং The Best Facebook Marketing and Messenger Chatbot কোর্সটিতে।

৮) ডিজিটাল কোর্স সেল করে আয়

আপনি যদি কোন একটা পার্টিকুলার বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও অ্যানিমেশন, ভিডিও এডিটিং তাহলে আপনি সেই দক্ষতা থেকে যেমন ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন, তেমনি অনলাইন কোর্স বানিয়েও তা সেল করে আয় করতে পারেন। আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস সাইট বানিয়ে সেখানে নিজের কোর্সগুলো সেল করতে পারেন, বা কোন থার্ড পার্টি মাধ্যমে ইনসট্রাক্টর হিসাবে সাইন আপও করে কোর্স সেল করতে পারেন। MSB Academy-তে ইনসট্রাক্টর হিসবে জয়েন করার সুযোগ রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে যেই টপিকের কোর্স পাবলিশ করতে চান, সেই বিষয়ে দক্ষ হতে হবে এবং অন্যকে শিখানোর দক্ষতা থাকতে হবে। অনেকই রয়েছে যারা নিজেরা ভাল বুঝে এবং কাজ করতে পারে কিন্তু অন্যকে সে বিষয়ে বুঝাতে পারে না। মনে রাখতে হবে নিজে জানা আর সেই বিষয়ে অন্যকে বুঝানো এক জিনিস নয়।

৯) অ্যামাজনে বই বিক্রি করে ইনকাম

আপনার যদি লেখালেখির প্রতি আগ্রহ থাকে বা আগে থেকেই অভ্যাস থাকে তাহলে আপনি সেটাকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসে বই পাবলিশ করে আয় করতে পারেন। আমরা সবাই জানি অ্যামাজন হচ্ছে ওয়ার্ল্ডের এক নাম্বার ই-কমার্স সাইট। প্রতিদিন লক্ষ কোটি প্রোডাক্ট কেনা বেচা হচ্ছে এই অ্যামাজন থেকে। আর এই অ্যামাজনের অনলাইনে ডিজিটাল বই এর প্লাটফর্মকে বলা হয় অ্যামাজন কিনডেল (Amazon Kindle)। পৃথিবীর সব বিখ্যাত, নতুন, পুরান সব ধরনের বই সেখানে পাওয়া যায়। আপনি চাইলে নিজের লিখা বইও অ্যামাজনে বিক্রি করতে পারেন। অ্যামাজনে বই সেল করে কত ইনকাম করা সম্ভব? সেই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে এই ব্লগটি পড়ে ফেলতে পারেন।

এই বিষয়ে এমএসবি একাডেমী ওয়েবসাইটে একটি কমপ্লিট কোর্স রয়েছে সেখানে বই লেখা থেকে শুরু করে নিজের বইয়ের কভার ডিজাইন, মার্কেটিং সব কিছু এই কোর্সের মধ্যে শিখনো হয়েছে। প্রয়োজনে আপনি এই কোর্স করার মাধ্যমে নিজেকে আরও এক্সপার্ট করে গড়ে তুলে বই লিখে ইনকাম শুরু করতে পারবেন। নিজের লিখা অথবা আউটসোর্স করা বই অ্যামাজন কিন্ডেলে পাবলিশ এবং সঠিক মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে কিভাবে অ্যামাজন থেকে 6 Figure Passive Income এর পথে যাত্রা শুরু করতে হয় তার স্টেপ-বাই-স্টেপ ফর্মুলা পাবেন এই Amazon Kindle Direct Publishing (KDP) কোর্সে

১০) গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয়

প্রতিটা কোম্পানির নিজস্ব লোগোর প্রয়োজন হয় যা দেখে মানুষ বুঝতে পারে। এবং অন্য সব কোম্পানি থেকে নিজেদের আলাদা করে তুলে এই লোগো। যেহেতু এখন প্রযুক্তির সময়। প্রযুক্তির এই সময়ে সব কিছুতে একটা বিশাল পরিবর্তন চলে এসে সেই সাথে প্রতিষ্ঠান গুলার মার্কেটিং বা বিজ্ঞাপনে চলে এসে কিছুটা পরিবর্তন। অ্যাডভার্টাইজিং এর ব্যানার এবং লোগো ডিজাইন এর জন্য প্রয়োজন হয় একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের। আপনি যদি দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে পারেন তাহলে ঘরে বসেই প্রতি মাসে ইনকাম করতে পারবেন। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনে ক্যারিয়ার ও চাকরির সুযোগ এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।

পরিশেষে একটি কথা, উপরের যে ১০ টি কাজের কথা বললাম এই কাজগুলো করে অনেকেই কিন্তু হাজার হাজার, এমনকি লাখ টাকাও অনেকে ইনকাম করছে। চাইলে আপনিও এই কাজগুলো করে ইনকাম করতে পারবেন যদি এইসব ব্যাপারে এডভান্স নলেজ গেইন করে, পরিশ্রম করার সৎ ইচ্ছা থাকে।  বর্তমান সময় প্রযুক্তির সময়। সব কিছু আমাদের হাতের নাগালে। আপনার যদি ইমকাম করার ইচ্ছা শক্তি থাকে তাহলে আপনি ঘরে বসে বিভিন্ন ভাবেই আসলে ইনকাম করতে পারবেন। আর আপনাদের এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য MSB Academy সব সময় আপনাদের পাশে আছে, ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ্‌।

Leave a Reply

error: