fbpx

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিং এর ১০টি সেরা মাধ্যম

digital marketing bangla blog

মার্কেটিং যে কোন কিছুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনার পণ্য বা সার্ভিস সবার কাছে তুলে ধরার জন্য প্রয়োজন মার্কেটিং এর। একটা সময় আমরা মার্কেটিং বলতে শুধু রেডিও, টিভি বিজ্ঞাপন এবং রাস্তার পাশে বড় ছোট বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপনকে বুঝতাম। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এই মার্কেটিং এসেছে অনেক পরিবর্তন। পৃথিবী প্রতি মুহূর্তে উন্নত হচ্ছে, ডিজিটাল হচ্ছে। এখন আর মার্কেটিং এর জন্য অন্যের কাছে যেতে হয় না। একটু মার্কেটিং জ্ঞান থাকলে নিজেই নিজের পণ্য বা সার্ভিসের মার্কেটিং করা যায় খুব সহজে। ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, এমন আরও অনেক ডিজিটাল মাধ্যমে রয়েছে যেখানে খুব সহজে মার্কেটিং করা যায়।

বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি এবং মোট জনসংখ্যার ৬২% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। আর বিশ্বে ৫৫.০৮ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে তার মধ্যে ৭৫ শতাংশ মানুষ নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল মাধ্যমগুলো কে কাজে লাগিয়ে ব্যবসার পথ আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে। আজকের এই আর্টিকেলে ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য বর্তমানে সেরা ১০টি মাধ্যম সম্পর্কে জানব। যা জানা থাকলে এবং সঠিকভাবে আপনি ইমপ্লিমেন্ট করতে পারলে তা আপনার বা আপনার কোম্পানির বিজনেসে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে দিবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সেরা মাধ্যমেগুলো জানার আগে আমাদের জানতে হবে ডিজিটাল মার্কেটিং আসলে কি? ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে, যেকোনো ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল টুলস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যেকোনো পণ্যের বা সেবার বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা করাকে বোঝায়। ইলেকট্রনিক ডিভাইস বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে সকল মার্কেটিং করা হয় তার সবগুলোই ‘ডিজিটাল মার্কেটিং’ এর অন্তর্ভুক্ত। ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য সফল করা কিংবা সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে পণ্যের বা সেবার বিজ্ঞাপন পৌঁছানোর বিদ্যায় হচ্ছে ‘ডিজিটাল মার্কেটিং’।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ১০টি সেরা মাধ্যমগুলো হলোঃ

  1. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
  2. সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
  3. কন্টেন্ট মার্কেটিং
  4. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM)
  5. ডিজিটাল প্রদর্শন মার্কেটিং
  6. মোবাইল মার্কেটিং
  7. ইমেইল মার্কেটিং
  8. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
  9. ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং
  10. ভিডিও মার্কেটিং

১) সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)

সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে মূলত Google, Bing এই সাইটগুলো যেখানে মূলত মানুষ কিছু খুঁজে বের করার জন্য সার্চ করে। মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনের কিছু নিয়মকানুন যা অনুসরণ বা প্রয়োগ করা হলে সার্চ ইঞ্জিন কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং র‍্যাঙ্ক করে থাকে।

আরও একটু সহজ করে বলি ধরুন, আপনি একটি অনলাইন বইয়ের দোকান চালু করতে চাচ্ছেন। মানুষজন বই অর্ডার করলে আপনার দোকান থেকে সেটি হোম ডেলিভারি দেয়া হবে। এখন কেউ আপনার দোকানের ব্যাপারে জানে না। কারো যদি অনলাইনে বই কেনার দরকার পরে, তখন সে গুগলে সার্চ দিবে “Online Book Shops in Bangladesh.” গুগল সুন্দর মতো বর্তমান বুকশপগুলোর ব্যাপারে তাকে বলে দিবে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, ভদ্রলোক সেই শপগুলোর ব্যাপারেই জানবে যেগুলো গুগলের প্রথম পেইজে আছে। এখন নতুন দোকানের মালিক হিসেবে গুগল আপনাকে নাও চিনতে পারে। তাই গুগল হয়তো আপনাকে প্রথম পেইজে দেখালো না। এখন SEO হলো এমন একটি পদ্ধতি যা গুগলকে বাধ্য করবে আপনাকে সার্চের প্রথম পেইজে নিয়ে আসতে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন মূলত দুই ভাবে করা হয়ে থাকেঃ

  1. অন পেজ অপটিমাইজেশন (On-Page SEO)
  2. অফ পেজ অপটিমাইজেশন (Off-Page SEO)

SEO সম্পর্কে আরও বিস্তারিত ভাবে জানতে আমাদের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) কি? কেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা হয়? এই ব্লগটি পড়ে ফেলুন আরও ক্লিয়ার ভাবে সব কিছু বুঝতে পারবেন।

২) সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)

এসিএম (SEM) বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং হচ্ছে এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি কোন সার্চ ইঞ্জিনে পেইড এডভার্টাইজিং এর মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে এড ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে কোনো কিওয়ার্ড কে টপ পেজে শো বা রাঙ্ক করাতে পারবেন। SEM সাধারনত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হয়ে থাকে। এর মধ্যে – Google Ads এবং বিং বিজ্ঞপ্তি (গুগল নেটওয়ার্কে), ইয়াহু বিং নেটওয়ার্ক বিজ্ঞপ্তি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। SEM বর্তমান ডিজিটাল মার্কেটিং এর সব চেয়ে সাশ্রয়ী অনলাইন মার্কেটিং যা কিনা আপনার রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বাড়াতে সাহায্য করবে।

৩) কন্টেন্ট মার্কেটিং

একটা কথা আপনি হয়ত শুনে থাকবেন, Content is KING! আর ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কিন্তু কন্টেন্টই মার্কেটিং এর মূল হাতিয়ার। কন্টেন্ট মার্কেটিং মূলত কন্টেন্টকে প্রকাশ করার একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। কোন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য সমূহের উপকারিতা, ব্যবহার উপযোগিতা, কোন তথ্যবহুল বিষয়, কিংবা কোন মজাদার অভিজ্ঞতার কথা যে মাধ্যমে তাদের টার্গেট অর্ডিয়েন্সের কাছে শেয়ার করে থাকে তাকে বলা হয় কন্টেন্ট মার্কেটিং।

এখন প্রায়ই দেখা যায় যে, বিভিন্ন সেবা প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো অনলাইন পত্রিকায় কিংবা ব্লগ সাইটে প্রোমোশনাল ব্লগ লেখা হচ্ছে। সেই ব্লগ পড়ে মানুষজন সেই প্রতিষ্ঠানে কী রকম সেবা দেয় তা জানতে পারছে। এগুলো হলো কন্টেন্ট মার্কেটিং। নিজের প্রতিষ্ঠানের সেবার ব্যাপারে মানুষজনকে জানানোর জন্য এরকম মার্কেটিং এখন বেশ কার্যকরী। নিজে লিখতে না পারলে কোনো পেশাদারী ব্লগ লেখককে দিয়েও নিজেদের ব্যাপারে কন্টেন্ট লিখিয়ে নেয়া যায়। কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এবং কি ভাবে কন্টেন্ট লিখতে হয় সে সম্পর্কে জানতে আমাদের এই আর্টিকেলটি পড়ে নিতে পারেন।

৪) সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM)

বিশ্বে মোট ইন্টানেট ব্যবহারকারীদের ৭৫% কোন না কোন সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত। এই বিশাল অংশের মানুষের কাছে সহজে পৌঁছানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং একটি কার্যকর পদ্ধতি। সাধারণত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে আমরা ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, লিঙ্কডিন, পিন্টারেস্ট ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে মার্কেটিং করাকে বুঝি। বর্তমান বিশ্বে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মধ্যে ফেসবুক আর ইউটিউব অনেক অনেক বেশি কার্যকরী এবং জনপ্রিয়। সোশ্যাল মিডিয়াগুলো এখন প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ফিচার নিয়ে আসছে। সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভ ভিডিও শেয়ারিং এখন এতো বেশি হয় যে, মার্কেটাররাও এর সুবিধা নিচ্ছে। বিভিন্ন পণ্যের ব্যবহারের উপর লাইভ ভিডিও কিংবা পণ্যের মোড়ক উন্মোচনের লাইভ ভিডিও এখন গ্রাহকদের অনেক বেশি আকর্ষণ করছে। ভিডিও শেয়ারিং এর মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে নিজেদের বার্তা অনেক সহজেই তুলে ধরা যায়। সমগ্র পৃথিবী এখন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর উপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে । আপনি একটু চিন্তা করলে বোঝতে পারবেন আপনি লাস্ট কবে ফেসবুক বা ইউটিউব ব্যবহার করেন নি। তাহলে খুব সহজেই বুঝতে পারবেন এটার গুরুত্ব কতখানি।

সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফেসবুক। আপনি যদি শুধু ফেসবুক মার্কেটিং এক্সপার্ট হতে চান তাহলে আমাদের ফেসবুক মার্কেটিং কোর্সের জয়েন হতে পারেন। এছাড়াও ফেইসবুকে বর্তমানে আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো চ্যাটবট। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা পরিচালিত এই চ্যাটবট ব্যবহারকারীর যেকোনো চাহিদা সহজেই অনুধাবন করে সেই অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ করে থাকে। মূল উত্তরদাতার তুলনায় চ্যাটবট অনেক দ্রুত উত্তর দিতে পারে বলে ব্যবহারকারীরা এই চ্যাটবট ব্যবহারে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এই চ্যাটবট ব্যাবহার করার কমপ্লিট গাইডলাইনও আপনি আমাদের ফেসবুক মার্কেটিং কোর্সে পেয়ে যাবেন।

আর যদি প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটার হয়ে এই ইন্টারনেট দুনিয়ায় রাজত্ব করতে চান তাহলে All in One Digital Marketing কোর্সটি হবে আপনার জন্য পারফেক্ট একটি কোর্স। ব্লগিং, SEO, অ্যাফিলিয়েট, ফেসবুক মার্কেটিং, ইউটিউব, কুপন বিজনেস থেকে শুরু করে ১৪টির বেশি মার্কেটিং সেক্টরে এক্সপার্ট হয়ে যাবেন, যা আপনাকে প্রতি মাসে হাজার ডলার+ ইনকাম জেনারেটে সাহায্য করবে।

৫) ডিজিটাল প্রদর্শন মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরগুলার মধ্যে ডিজিটাল ডিসপ্লে মার্কেটিং এর বিজ্ঞাপনগুলো তুলনামূলক কিছুটা ব্যয়বহুল। ওয়েবসাইট বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যনার, স্লাইড শো, ছবি বা ভিডিও আকারে বিজ্ঞাপন প্রদর্শণ করাকে ডিজিটাল ডিসপ্লে মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। এসব বিজ্ঞাপন দিতে ব্যয় একটু বেশি হলেও এগুলো গ্রাহক আকৃষ্ট করতে বেশি সাহায্য করে। বর্তমানে এলিডি ডিসপ্লের মাধ্যমেও অনেকে ডিজিটাল মার্কেটিং করছে। আধুনিক এই যুগে ক্রেতা আকৃষ্ট করার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিকল্প কিছু নেই। সেটা ভাবে হোক না কেন।

৬) মোবাইল মার্কেটিং

বর্তমান বাংলাদেশে ৫ বছরের ঊর্ধ্বে মুঠোফোন ব্যবহারকারী প্রায় ৫৬%। প্রতি ৩ মিনিটে মোট ফোন ব্যবহারকারীর ৯৭% টেক্সট মেসেজ ওপেন করে থাকে। ২৫% আন্তর্জাতিক মিডিয়া এবং মার্কেটং এক্সজিকিউটিভ তাদের প্রতিষ্ঠানের সমস্যাগুলো মোবাইলেরমাধ্যমে সমাধান করে থাকে। এসবের ভিত্তিতে বলা যায় মোবাইল মার্কেটিং ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম মাধ্যম। মোবাইল প্রযুক্তি যত আপডেট হচ্ছে মানুষের চাহিদাও তত আধুনিক হচ্ছে । সঠিকভাবে মোবাইল মার্কেটিং করতে পারলে আপনি অবশ্যই লাভবান হতে পারবেন । কি ধরনের SMS পাঠাতে হবে এবং সেটা মাস্কিং নাকি নন মাস্কিং হবে তা সঠিকভাবে আগে থেকেই প্লান করে নিতে হবে। অন্যথায় অনেকের মত আপনার টাকাও জলে ঢালার মত অবস্থা হবে। মোবাইল মার্কেটিং মূলত দুই ভাবে করা হয়ে থাকেঃ

  • এসএমএস মার্কেটিং (SMS)
  • এমএমএস মার্কেটিং (MMS)

৭) ইমেইল মার্কেটিং

ইমেইল মার্কেটিং এমন একটি অনলাইন মার্কেটিং টেকনিক যার দ্বারা আপনি আপনার প্রোডাক্ট বা কনটেন্ট এর জন্য অনেক কাস্টমার ইমেইল এর মাধ্যমে ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন এবং আপনার প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করার জন্য কোনো জায়গায় যেতে হবেনা। এটাই হলো ইমেইল মার্কেটিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি শক্তিশালী মাধ্যেম। ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি সাজানো আর্টিকেল বা কন্টেন্ট এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পণ্যের গুণাগুণ তুলে ধরে, তাকে ওই পন্য ক্রয়ে আগ্রহী করে তোলা। এর মাধ্যমে অল্প সময়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাওয়া যায়। স্মার্ট ইমেইল প্রেরণের মাধ্যমে ব্যবসায় লাভবান হওয়া সম্ভব। ইমেইল মার্কেটিং সাধারণত তিনটি ধাপে করা যায়ঃ

  • Email Template
  • Email Collection
  • Email Delivery

৮) অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

ধরুন আপনার কোন প্রোডাক্ট আছে, আমি আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন করে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি করলাম। এখন আপনি আমাকে এজন্য কমিশন দিবেন। এটাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অন্যের পণ্য বিক্রি করে টাকা আয়। অনলাইনে কাজটি আরো বেশি সহজ। যত বেশি মানুষ আপনার সেই প্রোডাক্ট গ্রহন করবে আপনি তত বেশি কমিশন পাবেন। আপনি একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করেও প্রতিদিন হাজার টাকার উপরে আয় করতে পারবেন। কমিশন ছাড়াও আপনি যে ব্র্যান্ড এর প্রমোশন করবেন এর বিনিময়ে সেই ব্র্যান্ড আপনাকে একটি সম্মানি প্রদান করে থাকে। এখানে আপনি সেই ব্র্যান্ডের অ্যাফিলিয়েট হিসেবে কাজ করছেন অর্থাৎ,আপনি আপনার কাজের মাধ্যমে সবাইকে সেই ব্র্যান্ডের ব্যাপারে বলছেন। অনেক সময় অ্যাফিলিয়েটদের জন্য আলাদা প্রোমো কোড দেয়া হয়, যার মাধ্যমে ক্রেতারা কোনো পণ্যের উপর বিশেষ ছাড় পেতে পারে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই ব্লগটি পড়ে ফেলুন। আর যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করতে চান তাহলে জয়েন করতে পারেন MSB Academy অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে। যেখানে আপনি প্রতি সেলে ২০% করে কমিশন পাবেন। অর্থাৎ আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কের মাধ্যমে যদি কেউ এমএসবি একাডেমী থেকে ২০ হাজার টাকার কোর্স কিনে আপনি পাবেন ৪ হাজার টাকা।

৯) ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং

বর্তমানে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর মূল বিষয় হলো, জনসাধারণের কাছে পরিচিত এবং জনপ্রিয় এমন কাউকে দিয়ে পণ্যের প্রচারণা চালানো। ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং করার জন্য জনপ্রিয় সোস্যাল মিডিয়া ইউজারদের হায়ার করা হয়ে থাকে। তাদের মাধ্যমে পন্য, সেবা, সার্ভিসের মার্কেটিং করা হয়। একজন ইনফ্লুয়েন্সারের অনেক ফলোয়ার থাকার কারনে তাড়া তাড়ি কোম্পানি গুলো তাদের পন্যের সেল করতে পারে। একই সাথে কোম্পানির ব্রান্ডিং হয়ে থাকে। মূলত এই ধরণের মানসিকতা তৈরি লক্ষ্যই হলো ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং।

১০) ভিডিও মার্কেটিং

অনলাইনের ম্যাক্সিমাম কন্টেন্টই কিন্তু এখন ভিডিও ভিত্তিক। কারণ ভিডিওর মাধ্যমে একটা কিছু যতটা সহজে প্রচার করা যায়, লিখে কিংবা অডিওতে কিন্তু সেইভাবে কোন কিছু উপস্থাপন করা সম্ভব হয় না। আর তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ভিডিও মার্কেটিং কিন্তু অন্যতম। বর্তমানে প্রচুর ক্রিয়েটর আছে যারা ফেসবুকে, ইউটিউবে নিজেদের বানানো ভিডিও আপলোড করে নিজেদের কর্মসংস্থান করছে। তাই বলাই যায় যে এই ভিডিওর বাজার কিন্তু গরম। ভিডিও মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনি যেই প্লাটফর্মে ভিডিও আপলোড দিবেন, সেই প্লাটফর্মের সব নিয়ম কানুন অ্যান্ড SEO Optimized পদ্ধতিতে ভিডিও আপলোড দিতে হবে। জাতে ম্যাক্সিমাম মানুষ আপনার সেই ভিডিওটি দেখে।

আপনি যদি শুধু ভিডিও মার্কেটিং সেক্টরে এক্সপার্ট হন তাহলে আপনি বিভিন্ন উপায়ে অনলাইন থেকে চাইলেই ইনকাম করতে পারবেন। কোন রকম ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ইউটিউবে ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে কীভাবে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্যাসিভ ইনকাম করা যায়, সেই ব্যাপারে কমপ্লিট একটি কোর্স কিন্তু আমাদের এই MSB Academy প্লাটফর্মে রয়েছে। কোর্সে জয়ন করা মোটামুটি সবারই অ্যাফিলিয়েট ইনকাম শুরু হয়ে গেছে। অনেকেত প্রতি মাসে ৭০০-১০০০ ডলার+ ইনকামও করছে। এই কোর্সে প্রচুর সিক্রেট টিপস অ্যান্ড ট্রিক্স শেয়ার করা হয়েছে, যাতে নতুনরাও সহজে এই কাজটা শুরু করতে পারে। তাই আপনি আগ্রহী হয়ে থাকলে Amazon Affiliate with YouTube কোর্সটিতে জয়েন করে ফেলতে পারেন। এই ক্ষেত্রে খুব ভালো ইংলিশ না পারলেও হবে! আর কাজ করতে যা যা লাগবে সব কিছুই দিয়ে দেয়া হবে কোর্সের সাথে।

আশা করি এই ব্লগটি পড়ার পর ডিজিটাল মার্কেটিং কি ভাবে কোন মাধ্যমে করতে হয় সে সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা আপনি পেয়েছেন। এখন আপনি যদি চান এই সকল মার্কেটিং এর কাজ আপনি হাতে কলমে শিখবেন তাহলে আপনি আমাদের অল ইন ওয়ান ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সটিতে জয়েন হতে পারেন। যেখানে আপনি এই ব্লগে দেখানো ১০টি মাধ্যম ছাড়াও ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে কমপ্লিট গাইডলাইন পেয়ে যাবেন।

Leave a Reply

error: