fbpx

৮টি ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার উপায়

বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট এর ব্যবহার যেমন বাড়ছে তার সাথে তাল মিলিয়ে বাড়ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এর ব্যবহার। একটা সময় ছিল মানুষ যখন শুধু মাত্র সময় কাটানো বা বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করত এই সোশ্যাল মিডিয়া। কিন্তু সময়ের আবর্তনে মানুষ এখন সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে ইনকামও করছে। ফেসবুক, ইউটিউব থেকে যেমন ইনকাম করা যায়, এখন তার সাথে যোগ হয়েছে ইনস্টাগ্রাম। ফেসবুক এবং ইউটিউব এর মত আপনি চাইলে এখন আপনার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল দিয়েও ইনকাম করতে পারবেন। আজকের আর্টিকেলে আমরা ইনস্টাগ্রাম থেকে ইনকাম এর ৮ টি  সহজে উপায় নিয়ে জানব।

ইনস্টাগ্রাম কি?

ইনস্টাগ্রাম হলো একটি বিনামূল্যের অনলাইন ফটো শেয়ারিং এপ্লিকেশন এবং সামাজিক নেটওয়ার্ক প্ল্যাটফর্ম, যা ২০১২ সালে ফেসবুক দ্বারা অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। এখানে আপনি ছবির পাশাপাশি শর্ট ভিডিও এবং আপনার লেখা পোস্ট করে শেয়ার করতে পারবেন। ইন্সটাগ্রাম প্রদত্ত সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ১.৭০৪ বিলিয়ন ব্যবহারকারী এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করে এবং প্রতি মাসে ইন্সটাগ্রাম এর অ্যাকটিভ ইউজার সংখ্যা প্রায় ১ বিলিয়নেরও বেশি।

যেভাবে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ওপেন করবেন

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করতে হলে প্রথমে ইনস্টাগ্রামে আপনার একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। ইনস্টাগ্রাম ২০১০ সালের অক্টোবর মাস থেকে যাত্রা শুরু করলেও তখন কেবলমাত্র আইওএস প্লাটফর্মেই ব্যবহারযোগ্য ছিল এই অ্যাপটি। কিন্তু ২০১২ সাল থেকে অ্যান্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমেও সহজলভ্য হয়। তাই আপনি এখন চাইলেই ইনস্টাগ্রাম অ্যাপটি ডাউনলোড করে নিজের একটি প্রোফাইল তৈরি করে নিতে পারেন। এজন্য স্মার্টফোনের পাশাপাশি প্রয়োজন হবে ইন্টারনেট সংযোগ। তবে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় এমন একটি ইউজার নেম বেছে নেয়া উচিত যেটি আপনার প্রোফাইলকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করবে। তাই সুন্দর একটি ইউজার নেম দিবেন। আপনার নাম দিয়েও ওপেন করতে পারেন এবং সেটাই বেশি ভাল।

পেশাদারিত্বের সাথে প্রোফাইল তৈরি করুন

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার করতে হলে আপনাকে একটি সুন্দর প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। পেশাদারিত্বের সাথে প্রোফাইল তৈরি না করলে সেটি আপনার পরিচিত মানুষজন ছাড়া অন্য দর্শকদের আকৃষ্ট করতে পারবে না। কীভাবে নিজের প্রোফাইল অন্যদের চেয়ে আলাদা ও পেশাদারিত্বের সাথে তৈরি করবেন?

ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট খোলার সময় আপনি প্রোফাইল পিকচার, ব্যবহারকারীর নাম, ওয়েবসাইট লিংক এবং বায়োসহ বেশ কয়েকটি বিকল্প পাবেন। আকর্ষণীয় একটি প্রোফাইল তৈরির জন্য এর প্রতিটি অপশনই গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণস্বরূপ- ইনস্টার সার্চ অপশন থেকে ব্যবহারকারীরা যাতে আপনার প্রোফাইল বা নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু সহজে খুঁজে নিতে পারে সেজন্য উপযুক্ত একটি ইউজারনেম বেছে নিন, যেটি আগে অন্য কেউ ব্যবহার করেনি। এরপর আপনার যদি কোনো ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট থাকে তবে সেটির লিংক ইনস্টাগ্রামে সংযুক্ত করুন। বায়ো বিভাগে নিজের সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু বাক্য লিখতে পারেন যা দর্শকদের আপনার ব্যক্তিত্ব, জ্ঞান এবং বিভিন্ন অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অবহিত করবে। এছাড়া নিজস্ব ব্যবসা থাকলে, সেটাও হতে পারে আপনার প্রোফাইলের বিষয়বস্তু। আপনি যখন আপনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানবেন, তখন থেকেই ইনস্টাগ্রামে ওই বিষয়ে পোস্ট দিতে পারেন এবং এর মধ্য দিয়ে ওই বিষয় নিয়ে আগ্রহী অন্য ব্যক্তিদের সাথে সংযুক্ত হতে পারবেন। আপনার যদি লেখালেখি বা প্রোগ্রামিংয়ের মতো বিশেষ দক্ষতা থেকে থাকে তাহলে সেটিকেও আপনি ইনস্টাগ্রামের বিষয়বস্তু হিসাবে নির্ধারণ করতে পারেন।

ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার ৮ টি সহজ কৌশল

ইনস্টাগ্রামে কিছু পোস্ট করার পর আপনি নিজের পরিচিত মানুষের কাছ থেকে সহজেই লাইক বা কমেন্ট পেতে পারেন। এই সামাজিক সম্পৃক্ততা আপনাকে সাময়িকভাবে খুশি করলেও, এর আর্থিক কোনো মূল্য নেই। কেমন হয়, যদি বিনোদনের পাশাপাশি নিজের জীবনযাত্রাকে উন্নত করতেও আপনি ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করেন? চলুন জেনে নেয়া যাক, কিভাবে ইনস্টাগ্রাম থেকে টাকা আয় করা যায় সে সম্পর্কে।

১) ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে আয়ঃ এখন কথা হচ্ছে ইনফ্লুয়েন্সার কারা? ইনফ্লুয়েন্সার তারাই যারা মানুষকে ইনফ্লুয়েন্স করে। আপনার ইনস্টাগ্রাম আইডি এবং আপনি যদি বেশ জনপ্রিয় হোন তাহলে ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে আপনি খুবই সহজে আয় করতে পারবেন। আপনি হয়ত ফেসবুক বা ইউটিউবে দেখে থাকবেন যারা বেশ জনপ্রিয় যাদের ফলোয়ার লাখ লাখ এবং যারা কোন বিষয় নিয়ে কথা বললে সেটা অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যায় এবং মানুষ তাদের কথা বিশ্বাস করে তাদের বলা হয় ইনফ্লুয়েন্সার।

অনেক কোম্পানি আছে যারা তাদের প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য এমন লোক খুজেঁ বেড়ায়। ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে এই কাজ করে, আপনি অনেক ভালো আয় করতে পারবেন। তবে, কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই আপনার ফলোয়ার সম্পর্কে আপনার ধারনা থাকতে হবে। ঠিক কি ধরনের পণ্য তারা পছন্দ করবে তা জানা থাকলে আপনি সেই সব পণ্যের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন। এইটা আপনি ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে পারেন।

২) অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়ঃ ইনভেস্ট বা পুজি ছাড়া বর্তমান সময়ে ঘরে বসে কেউ যদি ইনকাম করতে চায়, তার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল বিশাল একটি সুযোগ। এই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে গেলে আপনাকে বিশাল জ্ঞানের পণ্ডিত হতে হবে না। ফেসবুক, নিজের পার্সোনাল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব এবং ইনস্টাগ্রামে সব জাগায় আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকাম করতে পারবেন। যা শিখতে এবং করতে আপনার কোন রকম টাকা লাগবে না। সহজ কথায় যদি বলি, ধরুন আপনার কোন প্রোডাক্ট আছে, আমি আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন করে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি করলাম। এখন আপনি আমাকে এজন্য কমিশন দিবেন। এটাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অন্যের পণ্য বিক্রি করে টাকা আয়। অনলাইনে কাজটি আরো বেশি সহজ। যত বেশি মানুষ আপনার সেই প্রোডাক্ট গ্রহন করবে আপনি তত বেশি কমিশন পাবেন।

একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝায়, যেমন MSB Academy তাদের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের ২০% করে কমিশন দিয়ে থাকে। অ্যাফিলিয়েটদের প্রোমোট করা কোর্সগুলো যখন শিক্ষার্থীরা ক্রয় করেন, তখন প্রতিটি কোর্সের বিক্রয়মূল্য থেকে ২০% কমিশন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার পেয়ে যায়! অর্থাৎ একজন শিক্ষার্থী কোনো অ্যাফিলিয়েটের মাধ্যমে ৩০০০ টাকার একটি কোর্স কিনলে সেই অ্যাফিলিয়েট পাবেন ৬০০ টাকা! আপনি একটি প্রোডাক্ট বিক্রি করেও প্রতিদিন হাজার টাকার উপরে আয় করতে পারবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।

৩) নিজের পণ্য বিক্রি করে আয়ঃ আপনার যদি নিজের কোন পণ্য থাকে সেটাও আপনি চাইলে ইন্সটাগ্রামে বিক্রি করতে পারবেন। অথবা আপনি যদি চান দেশের বাহিরের কোন পণ্য যার অনেক চাহিদা রয়েছে এবং পণ্যের কোয়ালিটি অনেক ভাল সেটিও আপনি বিক্রি করতে পারেন। ব্যবসা শুরু করার পর ব্যবসার পণ্য রাখার জন্য অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট স্থানের দরকার হয়ে থাকে। সেদিক বিবেচনায় ইনস্টাগ্রাম চমৎকার স্থান। ইনস্টাগ্রাম শপ এর মাধ্যমে সরাসরি পণ্য বিক্রি করা যায়। প্রয়োজনে লিংক যুক্ত করে দেয়া যায় যেখান থেকে ফলোয়ারসরা সরাসরি নির্দিষ্ট পণ্যটি দেখে কিনে নিতে পারবে।

৪) ড্রপশিপিং করে আয়ঃ ড্রপশিপিং হল অনলাইনের মাধ্যমে এক প্রকার বিজনেস করার পদ্ধতি। যেখানে আপনি মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা মিটাবেন কিন্তু আপনার কোন পণ্য মজুদ করা লাগবে না।

আরও একটু সহজ করে বলি, ধরুন আপনার কোন ওয়েবসাইটে নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক প্রোডাক্ট রয়েছে। তার মধ্যে থেকে আমি একটি হেডফোন পছন্দ করে অর্ডার করলাম। এখন আপনি আমার অর্ডার করা প্রোডাক্টটি অন্য কোন ই-কমার্স ওয়েবসাইট থেকে অর্ডার করে আমি অর্ডার করার সময় যে ঠিকানা দিয়েছিলাম সে ঠিকানায় পাঠিয়ে দিলেন, এটাই মূলত ড্রপশিপিং বিজনেস। এর মানে আপনার কাছে কোন প্রোডাক্টই থাকবে না, কিন্তু আপনি আপনার ওয়েবসাইটে বিক্রির জন্য বিভিন্ন প্রোডাক্ট লিস্ট করে রাখবেন। আর কেও অর্ডার করলে, যারা সেটা সোর্স করে কাস্টমারের কাছে সেটি পৌঁছে দিবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে একটি ড্রটশিপিং ষ্টোর সেট করে নিতে হবে।

৫) নতুনদের সাহায্য করে আয়ঃ সবাই কিন্তু সব বিষয়ে দক্ষ থাকে না। আপনি যদি ইনস্টাগ্রামে খুব জনপ্রিয় এবং এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে, আপনি অনলাইনে নতুনদের সাহায্য করার, বিনিময়ে আয় করতে পারেন। যারা ইনস্টাগ্রামে নতুন, যারা জনপ্রিয় হতে চায়। তাদেরকে অনলাইনে কোর্স কিংবা কনাসাল্টটেনসি দিতে পারেন। আর এর বিনিময়ে আপনি তাদের থেকে, টাকা আয় করতে পারবেন। অনেকে আছে যারা জানে না, কিভাবে স্পনসরশিপ রিকুয়েস্ট দিতে হয়, এড প্রচার করতে হয়, ভুয়া ফলোয়ার যাচাই করা যায়।

নতুন যারা তারা অনেকেই তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডটিকে প্রচার করতে চায়, কিন্তু পারে না। আপনি আপনার দক্ষতা কাজে লাগিয়ে, তাদেরকে সাহায্য করতে পারেন। বিনিময়ে আপনার আয় হবে।

৬) ক্যাপশন বিক্রি করে আয়ঃ ইনস্টাগ্রামে কিছু পোস্ট করার জন্য সুন্দর ক্যাপশন দিতে হয়। ক্যাপশন ভালো হলে সেটা রিচ হয় বেশি। এখানে অনেকেই আছে যারা তাদের ব্যবসার প্রচারের জন্য সুন্দর কোন ক্যাপশন পান না। তাদের কাছে আপনি এই ক্যাপশন বিক্রি করবেন। একটি সুন্দর ক্যাপশন দিয়ে সে বিষয় সম্পর্কে অনেক ধারণা পাওয়া যায়। এই কাজ পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনার পারসোনাল আইডিতে কিছু ভালো ভালো ক্যাপশন রাখতে হবে। এছাড়া, আপনার ক্যাপশন সম্বলিত যেসব পোস্ট খুব বেশি রিচ হয়েছে তার লিংক ও আইডিতে রাখতে হবে। কারণ, নিয়োগকর্তা কাজ দেখে তারপর কাজে নিয়োগ দিবেন। তাই, এ সব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

৭) অ্যানিমেশন ভিডিও ও ছবি বিক্রি করে আয়ঃ বিভিন্ন কোম্পানি, ব্লগার, ফ্রিল্যান্সাররা এবং অনলাইন বিসনেস গুলি, অনলাইন কনটেন্ট, brochures, বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য অনেক কাজের জন্য স্টক ইমেজ (stock image) ব্যবহার করেন। এই ধরণের স্টক ইমেজ ব্যবহার করার ফলে, তাদের একজন ফটোগ্রাফার ভাড়া নিয়ে ফটো শুট করার অনেক খরচ বেঁচে যায়। তাই তারা তৈরি করা সুন্দর অ্যানিমেশন এবং ছবির উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে। ইনস্টাগ্রাম যেহেতু ছবি প্রধান। তাই, এখানে ছবি বিক্রি করেই আপনি আয় করতে পারেন। আপনি যদি ভালো পোস্টার লিখতে পারেন বা খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারেন। তাহলে, তা বিক্রি করে ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করতে পারেন।

এছাড়াও, বিভিন্ন পেইন্টিং, ড্রয়িং, এনিমেশন বা বিভিন্ন ভিডিও তৈরি করতে পারেন। উপরে সুন্দর একটি ক্যাপশন দিয়ে তা পোস্ট করতে পারেন। ইনস্টাগ্রাম থেকে আয় করার এটি একটি অন্যতম উপায়। আপনি যদি অ্যানিমেশন ভিডিও তৈরি করতে নাও পারেন তাহলে চিন্তার কিছু নেই, MSB Academy তে রয়েছে Animation Maketing Masterclass in Bangla একটি কোর্স। যা শিখে আপনি একজন প্রফেশনাল অ্যানিমেশন ভিডিও মেকার হতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্‌।

৮) জনপ্রিয় প্রোফাইল বিক্রি করে টাকা আয়ঃ ইনস্টাগ্রাম একটি জনপ্রিয় প্রোফাইল বিক্রি করে টাকা আয় করা যায়। এমন অনেকেই আছে যারা ইনস্টাগ্রাম প্রচুর সময় ও পরিশ্রম দিয়ে একটা আইডি গড়ে তোলে যেখানে লাখ লাখ ফলোয়ারস থাকে। এই রকম প্রোফাইল তৈরি করে খুব সহজেই সেটি বিক্রি করে আয় করা যায়। বর্তমান সময়ে অনেক মানুষ এবং প্রতিষ্ঠান তাদের মার্কেটিং এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়াকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য লাখ লাখ ফলোয়ারস সম্বলিত আইডি ক্রয় করে থাকে। আপনি চাইলে আপনার জনপ্রিয় আইডি বিক্রি করে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারেন।

পরিশেষে একটি কথা, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম গুলা ইনকাম করার জন্য অনেক ভাল এবং বড় মাধ্যমে হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আপনি যদি এর সঠিক ব্যবহার করতে পারেন এবং ইনকাম কি ভাবে করবেন সে সম্পর্কে জানতে পারেন তাহলে খুব সহজে প্রতি মাসে ভাল একটি ইনকাম আপনি এই প্ল্যাটফর্ম গুলা থেকে করতে পারবেন।

Leave a Reply

error: